কবির কাছে কবিত্ব বিশাল কিছু নয়
তবে কবিত্বকলার দৃষ্টান্ত অবশ্যই ফুটে তার স্বত্তায়।
শিক্ষা, জ্ঞান, আর মননশীলতায় এক নব প্রতিচ্ছবি,
প্রতিচ্ছায় প্রতিদিন বই, কলম তার সহচারী নিত্য রবি।
আকাশ -বাতাস, এ গোটা গোলকীয় রাজ্যবুকে
জয়ের প্রতিধ্বনি দেয়া-নেয়া নিরাবেগ তর্কে,
সূত্র ছাড়াই চলে গতিপথ থেকে অজানার মর্গে।
মর্মে মর্মে প্রতিবারে কৌনিক প্রায়শ্চিত্ত তার
তারপর আবার তারপর খুঁজে জ্ঞানের আহার,
আহার্য, অনার্য সাজে বাল্মিকীর পুলস্ত্যবধ কাব্য সমাহার।
সমাহারী ভাবাধারী অসমাপ্ত গল্পটার বৃত্ত আঁকে
আঁকড়ে আঁকড়ে ধরে নিয়ে কথার পিঠের বাঁকে,
কবি আনমনা হয়ে ক্ষণে ক্ষণে বিকর্ষণ রস ছাঁকে
দলে দলে বাঁধে নিরবচ্ছিন্ন প্রেমাবিলাপের ফাঁকে।
কাব্যে কাব্যে ঠিক -বেঠিকের পরিস্ফুটনে মানচিত্রের ছাপ।
ঝাপসে কবি ঝাপটে মরে অকুতোভয়ার ধাপ,
ধাপগুলি এটে নেয় নিরব অন্তকাহনের মাপ
কবি কবিতায় চুমুকে লোটায় রূপকের কাপ।
প্রতিটি স্পন্দনে কবি নেয় কবিত্বময় সুঘ্রাণ –
সাত-সতেরো শতেকখোয়ারি অগনিত প্রাণ,
প্রবাদ সাজায়,অচেতন হয়ে প্রলাপের আগুয়ান ;
ওপার থেকে এপারে এসপার-ওসপার পালোয়ান
অস্হির মন সপে তণুমন,তেম্নেনোভোতে হয় বেগবান।
ক্ষয়ে ক্ষয়ে শেষটার ধরে পথ আলেয়ার
আলেয়ার আলো!স্বাদন বিষাদের মুছে শত ভাড়,
ভেঙচি কাটে কালো প্রেম সাথে সন্ধানে সত্যের জলধার;
প্রবেশ করে থেকে থেকে নিংড়ানো যা কল্পনায় দেখার –
তৃপ্ততায় নিস্পৃহতা ঠেলে গুচে মিলায় সুখ-ছায়ার।
কবি!
কবিতার মতো ছুটে চলে মসির লাগাম ধরে,
তারাহুরো নয়,চলে ধীরে ধীরে আপন প্রেমের ঘরে।