সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ঝরায়ে
শ্রমিক রোজগার করে বেঁচে থাকার জন্যে,
এভাবে কেটে যায় দিন মাস,বছর কষ্টকে
লালন করে ওদের দৈনিক জীবনযাত্রার
তেমন উন্নতি হয়না শিশুরা কাজে নামে অভাবে..
আগামী শিশুরা আঁধারে ডুবে যায় অবেলায়!
দিনশেষে ওদের সেই ডাল ভাতের যোগাড়
করতে হিমশিম খেতে হয় দিনমজুরি দিয়ে,,
শ্রমিক দিবস বছর শেষে ঘুরে আসে ১ লা মে,
কত মিছিল মিটিং বক্তৃতা চলে গলা চেচিয়ে
মজুরি বৃদ্ধি ও পরিশোধ করা হবে যথা সময়ে,
আশার বানী শোনানো হয় কিন্তু কতটুকু
বদলায় ওদের জীবনের গতিপথ!
পূরণ হয়না চাওয়া পাওয়া স্বপ্নগুলো
সত্যিকার অর্থে আশা মরে যায় হতাশায় ;
দুবেলা দুমুঠো অন্নের যোগান দিতে শ্রমিকের
অক্লান্ত কায়িক পরিশ্রম করতে হয়..
লড়াই চলে প্রতিমুহূর্তে রূঢ় বাস্তবতার সঙ্গে
পরিবারের সদস্যরা অনাহারে অভুক্ত
সময় পার করে ক্ষুধাপেটে পাথর বেঁধে..
তাদের মুখে হাসি ফোঁটাতে
মেহনতি মানুষের ঘাম শুকায় পথে পথে..
চোখের জল মুছে অগোচরে,,
জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বিরামহীন গতিতে
শ্রমের চাকা অবিরত চলে দিনে-রাতে..
ধুঁকে ধুঁকে জীবন প্রদীপ নিভতে থাকে ক্রমশ
মলিন হয় মনের সাজানো বাগান ;
স্বপ্নের বালুচরে কঠিন বাস্তবতায় মাথা ঠুকে
মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে অব্যক্ত কথাগুলো
তবুও খোঁজে সুখ শত কষ্টের মাঝে
সব হাহাকার ভুলে।