বৃষ্টি ভেজা রাতের শহর,নীরব চৌদিক–
নরম স্বরে আলাপণ মেঘের দ্বীপে,
শুনশান নিঃশব্দ খেয়ায় ঢালে বিরহের জল
মমতাময়ী আঁধার বিস্ময় চোখে তাকিয়ে দেখে।
বৃষ্টি তোমাকে বলছি মান করো না–
ভালোবাসার পল্লব ছড়িয়ে দিচ্ছি,
জল নূপুরের ছন্দময় লয় তুলে
হাতটি আমার ছুঁয়ে দাও না —
হিম পরশে জুড়াই তপ্ত প্রাণ।
বৃষ্টির সাথে বৃক্ষের সখ্যতা গড়ে রাত প্রহরে
পুষ্পরেণু পরাগ মেলে চুপটি হাসে
মেঘেরা গোল্লাছুট খেলায় ব্যতিব্যস্ত
তারার কোলে,
নক্ষত্ররাজি,গ্রহতারা
অভিনব বলয় বিনির্মাণ করে।
বর্ণমালাগুলো অধীর হয়ে কাব্য চয়ন
খোঁজে অন্তরাত্মার পিপাসু দোলনায়,
একাত্মতায় বিলীন হই কবিতার মহাদেশে
কাব্যের অণুপংক্তি অনুসন্ধানে।
বৃষ্টির অভিসারে ধ্যানের জগতে
সিক্ত হৃদয় দাম্ভিক প্রহেলিকায়।