লোক মরেনি বাগেরহাটে, সিডর আইলার মতো
কিন্তু রেমেল দিয়ে গেছে, আরও বিরাট ক্ষত।
পানির তোড়ে ভেসে গেছে, হাজার হাজার বাড়ি
যত্নে গড়া মৎস্য সম্পদ, নদীতে দেয় পাড়ি।
পশু-পাখি ছাগল-গরু, কাপছে মরার ভয়ে
সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী, ভাসছে লোকালয়ে।
আশ্রয় কেন্দ্রের কষ্টের কথা, নেই তো বলার ভাষা
অনাহারী মানুষ তবু, রাখছে বাঁচার আশা।
স্বপ্ন যাদের আবর্তিত, ছোট্ট ব্যবসা দিয়ে
সারা বছর কাটবে তাদের, ঋণের বোঝা নিয়ে।
উপকূলের বাসিন্দারা, জলোচ্ছ্বাসে বন্দি
ঘূর্ণিঝড়ে আঘাত পাবার, করছে যেন সন্ধি।
মা-বাবার লাশ ঝুলিয়ে রেখে, মাটির তালাশ করে
দাফন হলো পানির ভেতর, তিন-চার দিন পরে।
দেশবাসীরা দেখো একবার, তাদের মলিন মুখ
এই বিপদে থাকলে পাশে, মনে পাবে সুখ।
উত্তরবঙ্গে প্রতিবছর, পাহাড়ি ঢল আসে
বাগেরহাটের মানুষ কিন্তু, থাকে তাদের পাশে।
তাদের এমন দুঃখের দিনে, চাই যে ভালোবাসা
তোমার দুঃখেও সঙ্গী পাবে, দিচ্ছি এমন আশা।
সাধ্যমতো পাশে থাকা, অমূল্য এই ঋণ
আল্লাহতা’লার রহমতে, আসবে সুখের দিন।