নন্দিনী শত কাজের ভীড়ে যখন তোমায় মনে
পড়ে আমি দিশেহারা হয়ে তোমায় খুজে ফিরি, অতীতের সেই নিবিড় প্রেম ও হৃদয়ের মুগ্ধ আবেগ
নাড়া দেয় আমার মনের গহীনে।
আজও তোমার ছবি আঁকা আছে ওই আকাশের
নীল রং এ মনের ক্যানভাসে,
জীবন চলার পথে স্বপ্নের বাঁকে বাঁকে।
ভুলতে পারিনি বলে মুছে ফেলিনি সেদিনের সে সব
স্মৃতি অনেক যত্নে তাকে লালন করেছি হৃদয়ের
অতল গহবরে ভালোবাসার মাধুরী মিশিয়ে,
আমি শুধুই খুঁজে ফিরি ফেলে আসা সেই চোখ
সেই হাসিমাখা মুখ।
হঠাৎ কোথায় যেন হারিয়ে গেল যে কারণে স্মৃতির
পটে অদৃশ্য অপশক্তি আজ হানা দেয় কিছুতেই ধরে রাখা যায় না শেষ বিকালের রৌদ্রছায়া মুহুর্তগুলো
আজ কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।
কতকিছু বেমালুম ভুলে গেছি চুকে গেছে কত হিসাব তবুও তুমি আছো আমার এ অন্তরে,
কতো প্রহর কেটে যায় কালের যাত্রা পথে,
সব হিসাব মিলাতে গিয়ে ফলাফল টা আজ
শুন্যে এসে দাঁড়িয়েছে।
যখন ভাবনারা উঁকি দেয় তোমাকে ভেবে,
মনে হয় প্রণয় সাগরে ভেসে ভেসে ভাঙ্গা তরী খানা বেয়ে চলি অজানার পথে।
ঘোর অমানিশার রাত শেষে যদি তোমাকে পেয়ে যাই, অবিরত চোখের তারায় সাঁতার কেটে কেটে
তোমার সে হাসিমুখ খানা।
তোমার ওই লজ্জাবনত নয়নে আমি দেখেছি অজস্র ভালোবাসার কলি ফুটে আছে,
তোমার সে গোলাপি ঠোঁটের ভাঁজে ছিলো
প্রেমের নীরব আহ্বান।
আমাকে দোলায়িত করেছে সর্বক্ষণ আজ শুধুই অসহ্য বেদনার ভারে জ্বলছি আমি সারাটা জীবন।