আজ থেকে প্রায় ১১০ বছর পূর্বে,
অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী
শিক্ষককে প্রশ্ন করে বীরদর্পে।
স্যার, গরুর রচনা মানে কী?
রাগত স্বরে শিক্ষক বলেন
গরুর রচনা মুখস্থ বলো দেখি!
জবাবে বলে ছাত্র,
রচনার মানে বুঝিনি একটুও মাত্র।
সংশ্লিষ্ট বিষয় বানিয়ে
বল অথবা লেখ শিক্ষকের উক্তি,
ছাত্র বলে স্যার-
বাংলা না ইংরেজিতে লিখব
দিবেন কী একটু যুক্তি?
তিরস্কারের ছলে,
শিক্ষক বলে।
বেটা একটা বাক্য লিখতে পারিস না,
তুই লিখবি বাংলা বা ইংরেজিতে রচনা!
তিরস্কারও যে পুরস্কারে পরিণত হয়,
সাত পৃষ্ঠা ইংরেজিতে রচনা লিখে
ছাত্র তার প্রতিভার প্রমাণ দেয়।
সময় ছিল ১৯১৪ সাল,
প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল
দরিরামপুর হাই স্কুল।
ছাত্রটি ছিল সকলেরই পরিচিত
মোদের প্রিয় কবি কাজী নজরুল।
তখন জানতেন কী ঐ শিক্ষক,
বিশ্বের বিস্ময় এই বালক!
যাঁকে স্রষ্টা বানিয়েছেন জগৎ বিখ্যাত লেখক।
আল্লাহ যাঁকে দান করবেন মান সম্মান,
ধরনীর এই ধরায়
কেহই তাঁকে করতে পারবে না অপমান।
তাই হই মোরা সাবধান! সাবধান! সাবধান!