আমি কাঁদতে চাই, চিৎকার করে, চোখের জলে ভিজে মন। চারদিক জুড়ে নীরবতা, জানি না কারে বলি বর্ণ। শিশুর চোখে রক্ত দেখে, থেমে যায় বুকের হাঁসফাঁস। ডাকে সে মা, ডাকে সে
জীবনটা বড় একঘেয়ে হয়ে গেছে। এ কথা কেন বলছো? প্রত্যেকদিন খাড়া বড়ি থোড়। অথচ, এমন জীবন তো কখনো চাইনি। আমাকে তোমার ভালো লাগে না? কখন সে কথা বললাম? তাহলে? বলছিলাম,
দাদা আব্দুল গফুর পাইক ভগ্নিপতি মুহাম্মদ ওমর ফারুক, নানা কাজী আমিনুল ইসলাম নানী দেওয়ান ফিরোজা বেগম, নাতী ফারহান নাবিল ইব্রাহীম মাতা (পেয়ারা) আনোয়ারা বেগম, বড়ো বোন লাকী রাবেয়া বোন জান্নাতুন
জীবন সেতো একটা নদী চলে ধীরে ধীরে হাজার বাঁধা পেরিয়ে সে বাঁচে সবার ভীড়ে, একটা নদী এঁকে বেঁকে যায় যে বহু দূরে কতো কথা কতো ব্যথা কাঁদে বীণার সুরে। একটা
নিখোঁজ সংবাদে দেখলাম, আমি হারিয়ে গেছি- সংবাদদাতাকে পুরস্কারের কথাও উল্লেখ আছে; পরনে ছিলো অফ-হোয়াইট গ্যাবার্ডিন প্যান্ট আকাশি রং ফুলসার্টের ওপর ব্লু কালারের কটি চকলেট কালারের অরিজিনাল লেদারের সাচ্চি সু হাতে
প্রীয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ, সৃষ্টিকর্তার পরেই প্রদর্শনের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন।মা এক অমূল্য রত্ন।যা কখনো খরিদ করা যায় না। আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে বান্দার উপর যদি কোন শ্রেষ্ঠ নেয়ামত থাকে,
পৃথিবীর জন্মলগ্ন থেকে ভালোবাসার সৃষ্টি – বিধাতা ভালবেসে সর্বশ্রেষ্ঠ জীব মানুষের প্রতি দিয়েছেন শুভ দৃষ্টি ভালোবাসায় আদম থেকে হাওয়ায় হলো মানব জাতির বৃদ্ধি। ভালোবাসার জন্য রাজ্য ছাড়লো কতো রাজা প্রজা
আচমকাই একদিন মৃত্যু আসে নিরবে কখনো দেহের মৃত্যু, না হয় মনের মৃত্যু, দেহের মৃত্যু সবাই দেখে, অশ্রু ঝরে সবার মনের মৃত্যু কেউ দেখেনা, অশ্রু ঝরে নিজের। দেহের মৃত্যু হলে জানাজা
তোমার শরীর ঠিকরে নামুক আঁধার! জলে ডুবে যাক, রোদে পুড়ুক কিংবা হারিয়ে যাক মেঘের শহরে জ্যোৎস্নার শরীর- আমার কিচ্ছু আসে যায় না– প্রবাহমান বাতাসের গভীরে ঘন হয়ে আসুক নিঃশ্বাস অন্ধ
অন্যায়ে প্রভু তোমায় করতে দেখি না প্রত্যক্ষ বিচার, করতে যদি বিচার, কেউ করতো না আর অত্যাচার। পাইনা সদয়, দেখিনা তৎক্ষণাৎ দৃষ্টি তোমার কোথা, আছে তোমার বিধিলিপি যেখানে যা, ঘটে সর্বত্র