তোমাকে খুব ভালোবাসতে ইচ্ছে করে কিন্ত কি করে ভালোবাসবো? তুমি তো আমার হাতের নাগালের বাইরে। আমার হৃদয়ের মাঝে জায়গা করে নিয়েছ আষ্টেপৃষ্টে কিছুতেই তোমাকে সরাতে পারিনা ভুলতে পারিনা বলে জীবন
ভালোবাসার আলপনা একে দিলাম তোমার ঠোঁটে, চোখে,মুখে তোমার পুরো হৃদয় জুড়ে তোমাকে তাকিয়ে দেখব জনম জনম ধরে। ভালোবাসার আলপনা একে দিলাম তুমি যে রাস্তা দিয়ে হেটে যাও তার চারিপাশে যা
মায়ের মুচকি হাসি ঈদের চাঁদের মতো মা তোমায় ভালোবাসি বুঝাবো তা কতো, ঈদের চাঁদতো আসে মা বছর ঘুরে ঘুরে তুমিতো মা সেই করে গেলে এলেনা আর ফিরে। ঈদের দিনে জড়িয়ে
মনের ভিতর জমা আছে কষ্টের শতো ঢেউ চলছে সদা নিরবধি জানেনাতো কেউ। কষ্টগুলো হৃদয়ে ভরা তবু হাসি মুখে কষ্টগুলো দেখা যায়না লুকিয়া রাখা বুকে। মনের ভিতর কষ্টের ঢেউ বুঝেনাতো কেউ।।
গভীর রাতে ধূধূ মাঠের মধ্যে একলা ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে কদম ফুলের গাছটি, গাছটির শরীরের উপর পিছলে যাচ্ছে রাতের জোছনা বৃষ্টি, তারার আলোর মালাপরা রাত্রি, দূরের ছায়াচ্ছন্ন গ্রাম নিদ্রার আয়োজনে ব্যস্ত,
একটি পরিচিত কবি মুখ আগামীতে নয় যেন নববর্ষে পহেলা বৈশাখে দরশন হয়; নববর্ষে বৈশাখী শাড়ী ও হাতে চুরি পরে কোনো কবি যদি ছবি ফেইসবুকে ছাড়ে তবে মনোযোগ সহকারে দেখে কবিরে
উদাসী দুপুর, পড়ন্ত বেলায় স্বর্ণালি সুখের ছোঁয়ায় অনুভবে তুমি। এক মুঠো ভালোবাসায় ডুবন্ত প্রেম ভেজা চুলের স্নিগ্ধ মায়ায় অবছায়া হয়ে আনমনে হাত বাড়াও কে তুমি? আয়নায় তাকাতেই লাজুক বদন খানি
ফিলিস্তিনি শহীদ হচ্ছে গাজায় লাশের তরী, আমরা খাচ্ছি পান্তা ইলিশ বৈশাখ পালন করি। সবাই আছি রঙ্গমঞ্চে বেতাল হয়ে নাচে! বোমার হামলা গুলি নিয়ে যারা বেঁচে আছে। অপচয় করি শত কোটি
আমি যে এক মাইয়্যা মানুষ এই যে আমার দোষ, এদিক সেদিক হইলেই কিছু ক্যান করে সব ফোঁস। উনুন ঘরে- পইড়া থাকা গর্ভে ধরার “মাহ্”-, মাইয়্যা বইলা সেউ মা মোরে কিঞ্চিৎ
যেই ছবিতে জগৎ আঁকা তোমার মুখের হাসি সেই ছবিটা দেখি যেই ছবিটা বোধের ভাষা প্রেমের বর্ণ-লিপি ঐ ছবিটা আঁকি যেই ছবিতে আগুন লিখে প্রেমের প্রমিথিউস কাতর যন্ত্রণায়— পাথর আঁকে ছেঁড়া