দিবা করের আলো হয়ে আঁধার টাকে দিব সরিয়ে রোজ প্রভাতে। দিবস তোমায় রং ছড়াবো প্রকৃতির এই হরিৎের রং বাহারে। সাগর জলে ডুববো রোজ প্রেম কুঁড়াবো ঝিনুক মাঝে মুক্ত হয়ে, অথৈজলে
আসুন সবাই বাঁচার পথে কেয়ামতের দিন হাসিমুখে শোধ করে দেই যত আছে ঋণ। এবার আসুন ঋণকে জানি কেনো করবো শোধ শোধ না হলে কেমন হবে ঋণের প্রতিশোধ। ভাবছেন হয়তো পড়শি
আবার আসো ফিরে এই বাংলায় হে শ্রেষ্ট বীর শেখ মজিব। আবার তোমার হয়েছে দরকার সবুজ বাংলার গায়। লাখো জনতা আবার তোমায় কাছে পেতে চায়। এখনো তোমার বজ্্র কন্ঠ সবার কানে
কেউ বলে শ্রীলঙ্কা কেউ বলে সিঙ্গাপুর সোনার বাংলা হইলো বুঝি, মস্ত এক আজবপুর। দফায় দফায় বাড়ে দাম নিত্য পণ্যে খেটে খাওয়া দিনমজুর ছুটে হয় হন্যে। তেলের বাজারে আগুন হররোজ জ্বলছে
চাইনি কখনই বাড়ি গাড়ি চাইনি শাড়ি চুড়ি সাধারণ মানুষ আমি জানি সাধারণ জীবন গুজারি। ভুল যতই করি আমি ক্ষমার মালিক তুমি আর যেনো করিনা ভুল এই পার্থনা করি। না জেনে
ইস! কি গরম! ফ্যান টা আজি ঘুরছে না গরমও আর সইছে না, আগের দিনেই ছিল ভালো বিদ্যুৎ এসে জ্বালা বাড়ালো! লোডশেডিং যখন তখন, নেই তো তাহার সময় বাঁধন! আহা! চারিদিকে-
আমাদের দেখা হোক হৈমন্তী সন্ধ্যায় আমাদের দেখা হোক, চৈত্রের রাঙা ধুলোয় আমাদের দেখা হোক, বৃষ্টিহীন অভিমানী শ্রাবণে ক্লান্ত দুপুরে, প্রখর উত্তাপে, আমাদের দেখা হোক” আমাদের দেখা হোক বসন্তের প্রথম প্রহরে
মহরম মানে হলো মানুষের শিক্ষা কারবালা ময়দানে বড় এক দীক্ষা । যুগে যুগে মহরম শোক নিয়ে আসছে সেই শোকে পৃথিবী মহরম ভাসছে। এই দশ মহরম ইতিহাসে সেরা যে হাসান আর
আমার হৃদয়ে তিলে তিলে গড়ে উঠা ভালোবাসাটা আজ সম্পুর্ণ মিথ্যার আর অবিশ্বাসের কালো পাহাড়ে পরিণত হয়েছে। আজ আমার বিশ্বাস গোলক ধাঁধায় পরিণত হয়েছে। আমার এখন আসল নকল চিনতে কষ্ট হচ্ছে।
আপনি তো ভাই সচেতন তেলে কেনো অচেতন বাজার ঘুরে দেখে আসেন দাম বাড়ানোর যালাতন। চক্ষু মেলে একটু দেখেন জ্বলছে আগুন বাজারে জ্বলে পুড়ে মানুষগুলো হারিয়ে যাচ্ছে আঁধারে। আপনি হয়তো ভালো