আমরা নাকি নবীর উম্মত নামে যে মুসলমান, দাড়ি টুপি হুজুর দেখে নিচ্ছি কেড়ে প্রাণ। পাথর মূর্তি ভাস্কর্যে দাঁড়ায় আছে দেশে, ধ্বংস দেখে যারা কাঁদে শিরিক দাতা বেশে। হুজুর মারে, মসজিদ
জানুক আজি নবীনগণে সোনার ছেলের গল্প, তার দখলে বিশ্বের পদক নয়তো কোনো কল্প। সোনার ছেলে শতক কথা অল্প কথায় বলে, সেই কথাতেই কদর বাড়ে জ্ঞানী গুণীই ফলে। মেধার গুণে বিশ্বের
দোষ কি আমার? এলাম ধরায় ছোট্ট আমার জীবন, যুদ্ধ দিয়ে অনাহারে বন্যায় ডুবে মরন। শিশুর কথা শুনবে কে যে নতুন স্বপ্ন বাঁধি! নিষ্ঠুরতা দেখে আমি বুক ফুলিয়ে কাঁদি সবাই সবার
ঘুম থেকে উঠে সবাই জাগ্রত হই, ভেদাভেদ ভুলে এবার মিলেমিশে রই। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আজ কাজ করব ভাই, দুর্যোগ মোকাবেলায় একসাথে চাই। হিন্দু মুসলিম অন্য ধর্ম হাল ধরেছি জনে, যতোটুকু
তুমি কাউকে অনুসরণ করোনি কাউকে অনুকরণ করোনি নিজের বোধ থেকে নিজের ছন্দে কবিতার মতো সাজিয়ে ছিলে এ-ই দেশকে। তুমিই প্রথম মুক্তির বাণী শুনিয়েছিলে স্বাধীনতা প্রিয় এ-ই জাতিকে। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে
আমার সোনার ময়না পাখি হারিয়ে গেলি কই! তোর আশাতে আজো আমি একলা একলা রই।। মনের ভিতর জায়গা দিয়ে করলি মায়া কতো নিঙড়ানো সব ভালোবাসা হৃদে ছিলো যতো। এতো ব্যথা কই
মুখোশধারী শয়তানেরা বিরাজ করে সবখানে ক্ষমতারই লোভের জন্য সদাই তাদের মনটানে স্বার্থলোভী মানুষগুলোর বিবেক বুদ্ধি নাইরে এদের জন্য কুলোষিতো হয় যে সমাজ ভাইরে। নিজের কথাই ভাবে শুধু দেশের কথা নয়রে
যখন বৃষ্টি হয় কবিতার শব্দগুলো , অশ্রুমুক্তোর মত কেবলই নীরবে ঝরে পড়ে, খেরো খাতার পাতায় ,কত অজানা পথের দ্বারে, এক একটি শব্দ প্রেম হয় গহীন আকাঙ্খায় ঝরা পাতার মতন নিস্তব্ধ
অবুঝ শিশুর মুখের ভাষা একটু ভেবে শুনি, বলছে শিশু পাশের দাদা ঠান্ডার মাথার খুনি। বুঝলে নাকো বাঙালি আজ পাশের দাদার ফাঁদ, ফারাক্কা বাঁধ খুলে দিয়েই পায় যে মনে সাধ। ঠান্ডা
বৃষ্টি বন্যা হতে পারে প্রকৃতেরি খেলা, বাঁধের পানি ছেড়ে দিয়ে মিটায় মনের জ্বালা। পূর্ব থেকে ছিল তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, বদলে গেল সবই তখন হলো তারা ক্ষিপ্ত। যুদ্ধ এটা.. বন্যা নয়