বৃষ্টি পড়ে ভিজবো আজি মেঘমল্লার দেশে, মুষলধারে বর্ষা বইছে মিলিত হই শেষে। ঝিরিঝিরি বাতাস বহে অপরূপা দৃষ্টি, পূর্ণিমারই দমকা হাওয়া উজান ভাটা বৃষ্টি। টুপুর টুপুর শব্দে যেন বৃষ্টি ভেজা দিনে,
আমি আরও কিছুদিন বাঁচতে চাই, জীবন তরীতে ভেসে কেমন তৃষ্ণা জাগে! চোখে দেখি শত স্বপ্ন, অনন্তের পথে, মৃত্যুর আড়ালে থেকে কত সূর্য উঠবে। আমি আরও কিছুদিন বাঁচতে চাই, প্রেমের পরশে
ভিন গ্রহের এক প্রাণী আসে দেশ স্বাধীনের পর, সেই প্রাণীর ঐ দানব থাবায় ভাঙে হাজার ঘর। প্রাণীগুলো দানব রূপে তাজা রক্ত খায়, উদর ভরে ভিন গ্রহে যে উড়াল দিয়ে যায়।
ব্রাশ ধরেছে দুটি হাতে রঙিন তুলের ছোঁয়া, স্বৈরাচারী পতন করে অন্তর ময়লা ধোয়া। স্বাধীন বাংলার রঙিন হবে খোকা খুকুর কাজে, রাঙা হলো শহরতলী হাজার রঙের সাজে। আনন্দেরই রংধনুতে সাত রঙেরই
এক. কর্মহীন জীবন যন্ত্রণাময় অগ্নিগোলার মতো, যা মনের চিন্তা চেতনা স্বপ্ন সবকিছু জ্বালিয়ে মূল্যহীন ছাইয়ে পরিণত করে দেয়। অলসতার অলিক সব স্বপ্ন ভিড় করে, জীবনের সব স্বপ্নকে দুঃস্বপ্ন করে মাতালের
মৌলিকত্ব খুঁজে বেড়াই আমি আমার মাঝে কখনও পাই কিছুটা খুঁজে আবার কোনো কোনো জায়গায় হেরে যাই। ভাবছি আমি মানুষ একটাই তবু কেনো আমার মাঝে বিদ্যমান এতো রূপ ঘরে – বাইরে
আমাদের বাচ্চা ছেলেমেয়েদের বই খাতা পেন্সিল কলম কাঁধে করে এই সময়ে স্কুল-কলেজে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকার কথা ছিলো। কিন্ত,দুর্ভাগ্যবশত তাদের হাতে উঠেছে ইটপাথর,লাঠি,বাঁশি! তারা রাজপথে নেমে আসতে হলো
আমার আমিতে আমি মিশে আছি কেউ নাই পাশাপাশি, কাছাকাছি সাগর নদীতে মিশে এক হয়েছি আজো কারো অপেক্ষায় আছি। আমার আমিতে মিশে আছি ধু ধু বালুময় মরুভূমি। আমার আমিত্বতে কি তুমি?
অনেক দিন একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম বাড়ীর পোষা কুকুর’টা ভিক্ষুক দেখলেই ঘেউঘেউ করে তেড়েমেরে লাফিয়ে উঠে। প্রতিনিয়ত কুকুরের এহেন আচরণে ভিক্ষুকের মনে দারুণ যন্ত্রণার কারণ হলো। কতো মানুষইতো এই বাড়ীর
খোকা খুকু আঁকছে ছবি রঙ তুলিতে হাতে, স্বৈরাচারীর শোষণ দমন উঠছে ফুটে তাতে। বীর শহীদের জীবন নাশে করলো সবে পণ, স্বৈরাচারীর শোষণ রুখতে আছে অনেক জন, আকাশ থেকে হেলিপ্যাডের গুলির