বৃষ্টির কুমারী কষ্ট মেঘ যেমন নীলাম্বরী পরে বোঝেনা তাইতো মাকড়সার জবানবন্দি পূর্ব দিগন্তের আলেয়া হয়ে ঘুরে বেড়ায়। প্রতিবন্ধি ভাষায় কথা বলে পরশ্রীকাতরতায় মেহগনি বন। ঝাউয়ের আড়ালে যেমন শালিক কামসূত্রের নিমগ্ন
ক্ষণিকের দুনিয়া মূল্যবান জীবন জানি আমরা সবাই। তবুও চলছি আমরা ধু ধু মরীচিকার পেছনে ক্ষণিকের মোহ ও মায়ায় ভুলে গিয়ে মূল্যবান জীবনের কথা। যে জীবনের জন্যে করছে অপেক্ষা সামনে অপেক্ষমান
জীবন চলে জীবনের গতিতে শুনেনা মানুষের কথা যদি শুনতো জীবন মানুষের কথা তবে হতো জীবন মানুষের চাওয়ার মতন। মানুষ চায় জীবনে করবে অনেককিছু কখনো ভাবে জীবন সাজাবে নির্ঝঞ্ঝাট আরাম আয়াসে
নিউরনে নিউরনে আগুন জ্বলে উঠে, বিশ্বাস করো ইচ্ছে করে যত্ন করে সদ্য রান্না করা ভাতের হাঁড়িটা উল্টো করে ফেলে দেই! কখনো ভাবি, হে সৃষ্টি কর্তা, আমাকে দূর্গা করে দাও পূজো
আ*গুনের গোলাটা যখন আমার সামনে এসে থেমে যায়, আমি যেন প্রতিবারই এই ভেবে অবাক হই যে, একটা মানুষ এত সুন্দর করে কথা বলে কী করে! ও যখন আসে আমি তা
প্রায় নিরব নিঝুম চোখে নেই ঘুম নিঃশব্দে পায়ে যাই খোলা বারান্দায় একা একা কথা বলি মনে মনে নিরব নিস্তব্ধ বহমান রাত্রির ক্ষয় কোথাও কোন জনমানুষের সারা শব্দ নেই দু চোখের
আকাশের বুকে জমেছিল যে মেঘের ঘনঘটা – হাওয়ার সংমিশ্রণে তা রং বদলায়, চোখের পলকে রং পরিবর্তন হয় ভিন্ন রূপে – মায়া জন্মে যায় মেঘের সারিবদ্ধতা দেখে – পরিতৃপ্ততা মিলে এতোটাই
১। সমুদ্রের মাঝখানে এক জাহাজ প্রচন্ড ঝড়ের মধ্যে পরে লন্ডভন্ড হয়ে গেল। সেই জাহাজের বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী ভাসতে ভাসতে এক নির্জন দ্বীপে এসে পৌছালো। জ্ঞান ফেরার পর প্রথমেই সে
দামী আসবাব দামী গাড়ী বাড়ী যেতে হবে সবই ছাড়ি মানুষকে হতে হয় ত্যাগী যাবার বেলায় তুমি ও হবে না সাথী। এই জীবন কাল সব নিয়মের বসতি
কোথায় গেল সেই সময়ের জোসনা চাঁদের আলো, বাড়ির উঠোন মধ্য বসে দারুন লাগতো ভালো। শীতল পাটি বিছানাতে গল্পগুজব করে, আড্ডা হতো গভীর রাতে মামা চাচার ঘরে। মিষ্টি রাতের শান্ত হাওয়া