কোটা হইলো গোটা জাতির সমস্যার ওই মূল, কোটার জন্য রাজ পথে যে ঝরে তাজা ফুল। বুলেট ছোড়ে মেধাবীদের জীবন নিচ্ছে কেড়ে, নির্বিচারে মানুষ হত্যায় আসছে ওঁরা তেড়ে। রাজ পথেতে দাবি
দাদার বাবা মুক্তিযোদ্ধা আমি তাহার নাতি, আদি পুরুষ পারি দিলো জ্বলবে কোটার পাতি। ভাতা ওরা পাচ্ছে সবাই তামার পয়সা সচল, পড়ালেখা করে এখন শিক্ষিতরাই অচল। অটো পাশের নবাবেরা নেতা হয়ে
তুমি কিছু বলোনি বা বলবার সুযোগ পাওনি, কিন্তু আমি তোমার অব্যক্ত প্রতিটি কথা উপলব্ধি করতে পেরেছি। তোমার প্রতিটি চাহনি,শরীরের এমনকি প্রতিটি পশমও চিৎকার করে বলতে চাইছিলো বিগত পঁয়ত্রিশ দিনের সবকিছু।
তোমায় ছোঁয়ার ইচ্ছে জাগে মনে তবুও ছুতে পারিনা, অস্পর্শীই রয়ে যাও, তুমি বাস করো না ছোঁয়ার দুরত্বে চাইলেও যে আজ ছুঁতে মানা। তোমাকে ছুঁতে পারবনা জেনেও ব্যকুল হয়ে দু’হাত বাড়াই
এই শহর আমি ভুলবো কেমনে, এই শহরে এসে স্বপ্ন দেখেছি! আমার তরতাজা প্রাণ মন যৌবন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। রামপুরা থেকে সদরঘাট প্রতিদিন, মোটর গাড়ি চড়ে যেতাম সবে। জগা বাবুর পাঠশালায়
সত্যি করে বলছি আমি তোমায় ভালোবাসি পতাকাটা বাঁধতে গিয়ে চোখের কোণায় ভাসি। আমার কিছু ভাল্লাগে না রক্ত ঝরে বুকে জয়ী হয়ে ফিরে এসো ঘর বাঁধিবো সুখে। যখন শুনি সেই তুমিটা
দুর্নীত আর লোভের কোটা বন্ধ করতে হবে, সুযোগ পাবে মেধাবীরা বলছে জ্ঞানী সবে। কোটা আন্দোলনের নামে সুযোগ নিচ্ছে যারা! ধংসলীলায় লিপ্ত হয়ে উসকে দিচ্ছে কারা? গণ্যমান্য আছেন যারা নজরদারি করি,
বিলের ধারে প্রাণের মসজিদ ঘাটলা বাধা সিড়ি, লাল পাথরের ইটের সারি নিভায় অগ্নিগিরি। পুকুর মাঝে শাপলা ফোটে পদ্ম ফুলের বাহার, ইবাদতে মুমিন বান্দা মগ্ন থাকে তাহার। ঠান্ডা ঠান্ডা শীতল পানি
কেউ জানে না আসবে কখন বৃষ্টি আসে যখন, বর্ষা দিনে উৎসব মুখর কালবৈশাখী তখন। চলাচলে কষ্টে সকল জলপথে থৈথৈ, রাস্তা, বাড়ি নদী হয়ে ভোগান্তিতে হৈচৈ। দায়িত্ব যখন সবার কাঁধে মনোবল
ডি এম অফিস। নর্থ বেঙ্গল। ডুয়ার্স। সকাল সাড়ে নটায় ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ার গাড়ি অফিস করিডোরে ঢুকলো। নন্দিনী সেন গাড়ি থেকে নেমে দূরে গাছ পালার দিকে চাইলেন। চোখের কালো চশমা খুলে দেখলেন,অজস্র