পাখি আছে রাশি রাশি কত রঙের জাতি! সকাল হলে খাদ্য খুঁজে ঘরে ফিরে রাতি। পাখির রাজ্যে কাকুলিতে কলরবে মুখোর, সকাল হলেই কিচির মিচির পাখির বাসার কুটোর। ক্যাপে পেটু লাইটেড প্রথম
উঠুনে কিংবা ছাদে বসার ঘরটি জুড়ে বৃষ্টির অপূর্ব মুখরিত শব্দ টিনের উপরে, বর্ষার অবিরাম বর্ষণ আনচান করে মোরে চেয়ে চেয়ে দেখি সেই দৃশ্য বিমুগ্ধ নয়নে । আকাশ যখন বিদুৎ
দেশ স্বাধীনে পার হয়েছে বছর তেপ্পান্ন তার আগে ছিলাম আমরা বাঙালি স্বাধীনতা লাভের পর পেলাম বাংলাদেশ আমরা হলাম তাই বাঙালি হতে বাংলাদেশি। তবু যারা এখনো বলে বেড়ায় তারা বাঙালি তার
অজানা কিংবা কোনো অলীক সন্ধ্যায় নয় সত্যি! আমি হারাতে দেখেছি অহংকারী চাঁদ ভেসে যেতে দেখেছি শিরশির হাওয়ায় উন্মাদ নক্ষত্ররাজির জাগরণে , ভোলাতে পারিনা কিছুতেই তাকে তাই ঠোঁটে লেগে থাকে জ্যামিতিক
ভালোবাসার রংধনুতে লাল গোলাপের মালা, স্রোতে আসে উথাল পাথাল হাজার রঙের তালা। গভীর রাতের আলো জ্বেলে প্রেমের আলাপনে, ভালোবাসার রঙের সারি তৈরি করে মনে। প্রসাধনী সুবাস ছড়ায় চন্দন মাখা আতর,
কোথায় গেল সেই সময়ের জোসনা চাঁদের আলো, বাড়ির উঠোন মধ্য বসে দারুন লাগতো ভালো। শীতল পাটি বিছানাতে গল্পগুজব করে, আড্ডা হতো গভীর রাতে মামা চাচার ঘরে। মিষ্টি রাতের শান্ত হাওয়া
বৃষ্টির কুমারী কষ্ট মেঘ যেমন নীলাম্বরী পরে বোঝেনা তাইতো মাকড়সার জবানবন্দি পূর্ব দিগন্তের আলেয়া হয়ে ঘুরে বেড়ায়। প্রতিবন্ধি ভাষায় কথা বলে পরশ্রীকাতরতায় মেহগনি বন। ঝাউয়ের আড়ালে যেমন শালিক কামসূত্রের নিমগ্ন
ক্ষণিকের দুনিয়া মূল্যবান জীবন জানি আমরা সবাই। তবুও চলছি আমরা ধু ধু মরীচিকার পেছনে ক্ষণিকের মোহ ও মায়ায় ভুলে গিয়ে মূল্যবান জীবনের কথা। যে জীবনের জন্যে করছে অপেক্ষা সামনে অপেক্ষমান
জীবন চলে জীবনের গতিতে শুনেনা মানুষের কথা যদি শুনতো জীবন মানুষের কথা তবে হতো জীবন মানুষের চাওয়ার মতন। মানুষ চায় জীবনে করবে অনেককিছু কখনো ভাবে জীবন সাজাবে নির্ঝঞ্ঝাট আরাম আয়াসে
নিউরনে নিউরনে আগুন জ্বলে উঠে, বিশ্বাস করো ইচ্ছে করে যত্ন করে সদ্য রান্না করা ভাতের হাঁড়িটা উল্টো করে ফেলে দেই! কখনো ভাবি, হে সৃষ্টি কর্তা, আমাকে দূর্গা করে দাও পূজো