ওহে গুণী! ওহে জ্ঞানী! নিজের সাথে হয় কি কথা কখনই? শুনন জনাব তবে, বলুন কথা নিজের সাথে, ঘুমানোর সময় প্রতিরাতে। কি দায়িত্ব ছিলো ন্যস্ত? কি নিয়ে ছিলেন ব্যস্ত? কার প্রতি
হেমন্তেরি শীতের ঘুড়ি নীল আকাশে উড়ে, নাটাই ছাড়া সুতো যেন উড়ছে বহুত দূরে। বিকেল বেলা আলতো রোদে সন্ধ্যা লগন সাজে, ছেলে মেয়ে অর্ধাঙ্গিনী ধানের ক্ষেতের মাঝে। নিজের হাতের তৈরি করা
ঘুমন্ত ও দেশবাসী ভুলে গেছো জুলাই, আনন্দ হাওয়া অঙ্গে বুলায়ে দোলনাতে দুলাই। শিশু, কিশোর মরল পথে ছিন্নভিন্ন দেহ, টিয়ার গ্যাসের গুলির আঘাত খোঁজ রাখেনি কেহ! চিৎকার করে বলছে শহীদ মনে
চিঠি এসেছে চিঠি হঠাৎ ডাকপিয়নের হাঁক, খাম হাতে নিয়ে আনন্দ আবেশে দেখলাম প্রেরকে তোমার নাম। বছর শুরুতে এমনি করে আমাকে একটা চিঠি লিখো প্রিয়, আদুরে ছোঁয়ায় এঁকে দিও তোমার দেয়া
নতুন বর্ষে নতুন দিনে নতুন বই উৎসবে মাতি। নতুন বই হাতে পেয়ে আনন্দ উল্লাসে নাচি। নতুন বইয়ের নতুন মলাট নতুন ছড়া-কবিতা-ছন্দ, নতুন বইয়ের গন্ধ,আহ! মনে কী আনন্দ? আমাদের জীবনে বই পরমবন্ধু, তাই লেখাপড়ায় দিব মন। বই পড়ে মানুষ হয়ে
একটা পাখি ডাকা ভোর আর হবে না,ঘুঘু ডাকা একটা দুপুর আর ফিরবে না। ঝোপের দ্বারে লেজ উঁচিয়ে টুনটুনির সেই প্রেমালাপ নিরন্তর মধুর সুর,ঘরের পিছন থেকে শুনবো না।। বসন্তের ভোরের কোকিলার
আমার ছন্দের ভুবনে তুমি করিলে আগমন গল্প কথা হয়ে, স্বপ্নের ডানায় মিশালে আলো, মধুর সুরে হৃদয় ভাসালে প্রিয়তায়। তোমার হাসি যেন জ্যোৎস্নার কণা, অন্ধকারে ছড়ায় স্নিগ্ধতার গান, তোমার চাহনিতে লুকায়
মুক্তিপন একটা কমন শব্দ।এই শব্দের সাথে আমরা অনেকে পরিচিত। পত্রিকার হেড় লাইনে বড় বড় অক্ষরে এই নিয়ে প্রায় সময় নিউজ করা হয়। সাত বছরের আরিয়ান একটা শিশু বাচ্চা।মাত্র দ্বিতীয় শ্রেণীতে
মুগ্ধ হলাম তোমায় দেখে একি অরূপ রূপের সুধা ? ভালবাসার আবীর মেখে মনে আমার জাগলো ক্ষুধা । ডাগর ডাগর আঁখিদুটি হৃদয় মাঝে লাগলো দোলা , গোলাপ হয়ে রইলো ফুটি এই
কিছু ভুল ভুল থেকে যায় যায় না কখনো ভুলা। লোভ দেখিয়ে কার্য হাসিলে ঝুলিয়ে রাখে মুলা। আমার বেলা তেমন হয়নি ছিলো না হাতে অর্থ। সেজন্য প্রেমে পূর্ণতা পায়নি হয়েছি আমি