আমাদের এ মিছিল নিকট অতীত থেকে অনন্তকালের দিকে আমরা বদর থেকে ওহুদ হয়ে এখানে, শত সংঘাতের মধ্যে এ কাফেলায় এসে দাঁড়িয়েছি। কে প্রশ্ন করে আমরা কোথায় যাবো ? আমরা তো
নিয়ম মেনে চলবো সবে থাকবে ভালো বঙ্গ, পরিষ্কার আর পরিপাটি ঈমানের ওই অঙ্গ। সবাই যদি সজাগ থাকি নির্মল হবে বায়ু, দূষণ মুক্ত বায়ুর মাঝেই বাড়বে তবে আয়ু। ময়লা বর্জ্য ফেলার
আমাকে কি নিবে না? যাচ্ছি বন্যায় ভেসে! সবাই সবার জীবন নিয়ে ছুটছে দূর দেশে। কুকুর বিড়াল, গরু ছাগল হাঁস মুরগি যত! বেঁচে থাকার ইচ্ছে আছে শীতে কাঁপছে গত। অবুঝ প্রাণীর
পুরুলিয়ায় জন্ম তোমার ডাক নাম দুখু অগ্নিবীণার বিদ্রোহী তুমি,তুমি জাতীয় কবি, মানবতা ধর্ম তোমার, মনুষ্যত্ব আদর্শ শোষিত নিপীড়িতের নির্ভীক পথপ্রদর্শক, দারিদ্র্যর মাঝে বেড়ে উঠা,অভাব নিত্য সঙ্গী স্বদেশ প্রেমে নিবেদিত প্রান,গেয়ে
দু’ভাই মিলে ভর দুপুরে মাওনা গায়ের হাটে! গ্রামের পথে হেটে চলে কাদামাখা মাঠে। কত কাজে যেতে হলো গ্রাম থেকে গ্রাম, নাস্তা করে চায়ে ধোঁয়ায় চুমুক দিয়ে আরাম। পায়ে হেঁটে বাইকে
কবির একান্ত কাব্যিক ঠিকানা কবিতা এপারের দীর্ঘশ্বাস ওপারের নি:শ্বাস অভিলাষী শব্দবাতায়ন, অভিযাত্রিক কবি কবিতার সুদৃঢ় বন্ধন কবিতার তরঙ্গায়িত স্পন্দন কবির রঙ্গায়োজন। আত্মিক বন্ধনে একে অন্যের আমৃত্যু সহযাত্রী কবিতা কবির ক্লান্ত
কোন এক ফাল্গুনী সন্ধ্যায় অভিমানের সিক্ত মঞ্জুরিতে সাজিয়ে ছিলে অপেক্ষার মধু গুঞ্জরণ। হয়তো জ্যৈষ্ঠের প্রচণ্ড তাপদাহে বিষন্ন মনে নির্জনে কেঁদেছিলে। হয়তো অনুরাগের সিঁথিতে তৃষিত চুম্বন এঁকেছিলে বহুবার। হয়তো বাতায়ন-পাশে হিমেল
নিজের মতো করে কেউ ভালোবাসে না এটা মেনে নিয়েই ভালোবাসতে হবে নয়তো ভালোবাসাহীন পৃথিবীর ছোট্ট দীর্ঘশ্বাস নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে। হয়তোবা আমিও তার মতো করে ভালোবাসিনি ভালোবাসতে পারিনি,হয়তোবা বুঝতেই পারিনি?
শরতের স্নিগ্ধ সকাল, ঝিরিঝিরি বৃষ্টি , মেঘলা হাওয়ায়, শিউলি ছড়ানো পথে এখন আর আসোনা তুমি — এখন আর রক্ত জবা ছিড়ে খোঁপায় পড়িয়ে দাওনা ঝরে যাওয়া গোলাপের পাপড়িগুলো আগের মতো
বন্ধু ছাড়া জমেনা তো চা কফিরই আড্ডা হোক না সেটা জীর্ণ কুঠির বনানী বা বাড্ডা। মনে জমা যতো কথা বন্দী হয়ে রয় বন্ধু কাছে এলে পরে সকল কথা কয়। উজ্জ্বলতা