স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেছেন, দেশের টেকসই পরিবর্তন ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে যুবসমাজকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ যুবশক্তি। এই বিশাল শক্তিকে মাদক, সন্ত্রাস, অস্ত্র, কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে আদর্শবান, মানবিক, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই, ২০২৬) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী এবং চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ ‘দায়িত্বশীল সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নগর জামায়াতের কার্যালয় বিআইএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুব বিভাগের সভাপতি অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী এবং সঞ্চালনা করেন যুব বিভাগের সেক্রেটারি আ ন ম জোবায়ের।
যুব সমাজকে নিয়ে বিশ্ব পরিস্থিতির তুলনা ও দিকনির্দেশনা:
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের আরও বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে যুব জনসংখ্যা ক্রমাগত কমে যাওয়ায় তারা বিদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি আনছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত হিসেবে বিপুল যুবশক্তির অধিকারী। কিন্তু সরকারের উদাসীনতা ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে যুবসমাজ নানা সংকটে নিমজ্জিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য যুব বিভাগকে রক্তদান কর্মসূচি, মাদকবিরোধী আন্দোলন, সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি এবং দুর্যোগ-দুর্বিপাকে মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে হবে।
বিশেষ অতিথিদের বক্তব্য:
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ ইসলামী আন্দোলনের প্রতি যে আস্থা প্রকাশ করেছে, তা আগামী দিনের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নতুন প্রজন্মের ব্যাপক সম্পৃক্ততা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তাই তাদের চিন্তা, রুচি ও সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যুব বিভাগের কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী ও আধুনিক করতে হবে।
আরেক বিশেষ অতিথি কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, আদর্শিক, নৈতিক ও দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে যুবকদের রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। প্রতিটি এলাকায় সামাজিক সেবা ও মানবিক উদ্যোগে যুবকদের সম্পৃক্ত করতে পারলে একটি কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী পরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে যুব বিভাগের কার্যক্রম বাস্তবায়নে এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রতিটি সাংগঠনিক স্তরে এর কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে সকল দায়িত্বশীলের প্রতি আহ্বান জানান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমীন, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এস. এম. লুৎফর রহমান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব ও ক্রীড়া বিভাগের দায়িত্বশীল অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ নাছের, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুব বিভাগের দায়িত্বশীল ইকবাল হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি শাহাদাত হোসেন, জামায়াত নেতা জসিম উদ্দিন সরকার, আমান উল্লাহ আমান ও তৌহিদ আজাদ প্রমুখ।
ব্রেকিং নিউজ: ‘দেশের পরিবর্তনে যুবসমাজকে আদর্শ, দক্ষতা ও মানবিকতায় গড়ে তুলতে হবে’ — চট্টগ্রামে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের
চট্টগ্রাম মহানগরী এবং চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) এক বর্ণাঢ্য দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর বিআইএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের।
প্রধান অতিথির মূল বার্তা:
দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশই যুবসমাজ, যা বাংলাদেশের জন্য আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত।
এই যুবশক্তিকে মাদক, কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।
যুব বিভাগকে রক্তদান, মাদকবিরোধী আন্দোলন ও দুর্যোগে মানবিক সেবার মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে হবে।
নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুব বিভাগের সভাপতি অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালীর সভাপতিত্বে এবং যুব বিভাগের সেক্রেটারি আ ন ম জোবায়েরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান এবং চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।