হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সর্ব ঐক্য দল, বাংলাদেশে জন্ম তাদের রাষ্ট্রের মনবল। হাতে হাতে হাত রেখে আজ দেশ গড়বো মোরা, চক্রান্তকারী দুষ্ট লোকের করব ধরা সারা। লাল সবুজের দেশটি সবার
ভারত কর্তা ফন্দি আঁটে দেশ ভাগের আগ, বঙ্গ দেশটা দুই ভাগেতে করে দিলো ভাগ। সুযোগ পেয়ে সবি নিলো দেশ ভাগের পর, ইচ্ছে মতই নিতোই সবি মাথায় করে ভর। সাধুর বেশে
হৃদয়ে দাগা দিয়ে সে চলে গেল, ঝাউ বীথি পেরিয়ে বালিয়াড়ির উপর দিয়ে সে একটু একটু করে দূরে চলে গেল, দূর থেকে আরও দূরে, সমুদ্রে পারে সূর্য ডুবে গেল, আকাশে মিটিমিটি
শহরের চোখে কান্নার জল মিশে আছে বলেই শহরের অলিতে গলিতে ক্রমাগত হারানোর ভিড়, কিন্তু সে শহর আমার নয়। আমার একটা শহর খুব চেনা, যেটা কবিতার শহর। এ শহরে শব্দেরা এসে
আমি রোজ মৃত্যুবরণ করি— যেন সন্ধ্যার বুকে হারিয়ে যাওয়া এক ঝাঁক পাখির মতো, আবার জীবিত হই—তোমার চোখের পাতা বেয়ে নেমে আসা ভোরের শিশিরে। একদিন কুয়াশার চাদরে মুড়িয়ে রেখেছিলাম মন— তখন
ও পাখিরে ও পাখিরে ও পাখিরে, পাখি আমার উড়িয়া গেল কোন বনে খুঁজি আমি পাখিরে মন মন্দিরে, পাখি আমার বাসা বাঁধে অন্যের ঘরে। ও পাখিরে ও পাখিরে ও পাখিরে। ও পাখিরে ও পাখিরে ও পাখিরে, স্মৃতিতে আঁকা এই জীবনের গল্প কথা মুছেনি আজো বিচ্ছেদে যতটুকু সময় আছে এই জীবনে ভুলিব আমি তোমারে কেমনে? ও পাখিরে ও পাখিরে ও পাখিরে, তোমারে ভালোবেসে করেছি আপন তুমি আমারে কাঁদালে যখন বুকের পিঞ্জরে বাঁধিয়া তোমারে পোষ মানাইতে নাই পারি এই জীবনে। ও পাখিরে ও পাখিরে ও পাখিরে, পাখি আমার উড়িয়া গেল বুকের খাঁচা ছেড়ে,ও পাখিরে ভালো থেকো সুখে থেকো
দোহার থানার জয়পাড়াতে ছোট্ট আমার বাড়ি, রাস্তা ধরে দেখতে পাবে খেজুর গাছের সারি। শীতের ভোরে ভরা থাকে খেজুর রসের হাঁড়ি, শহর ছেড়ে যাবো গ্রামে দিয়ে টমটম গাড়ি। প্রভাত সূর্য বড়ই
১৪ বছর পরে আবার সমুদ্র সৈকতে, ঢেউয়ের ঝংকার শুনতে এলাম মধ্য রজনীতে। সঙ্গে ছিল বন্ধু মহল চারজনেরই দল, আনন্দময় সময় কাটে ছিল মনবল। পুরাতন যে নতুন করে প্রেমের সঞ্চলিত, ভালোবাসার
তোমার কাছে হয়তো সেদিনের গল্প তোমার কাটেনা সময়ের মর্মরিত পিছুহটা —–দিনের। ওইসব মোহের রন্ধন ঘুমঘোরে বেহুদা সময়ে নিপাত গেলো। জগৎময় অনিবার্যতায় পালকের স্বপ্নভূমি বিরাণ করে। ঘর জাগানিয়ায় কান পেতে শুনি
হে বিজয় -যখনই তুমি ফিরে আসো আমাদের মাঝে, আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হয় তোমার জয়গান, তখনই মনে আসে দীর্ঘশ্বাস। ৭১ এর এই দিনে হয়েছিল সীমাহীন যুদ্ধ। যার কাহিনী শুনলে ——– মোদের