ভুইলাই গেছো প্রিয়া নাকি ভুলতেই ভুইলা গেছো? আমারে দেহাইবার লাইগ্যা পায়ে আলতা হাতে মিন্দি লাল পাইড়া নীল শাড়ি গাঢ় লিপস্টিক, তেমন কইরা এখনো কি সাজো প্রিয়া ভালোবাসার গোলাপ রঙে? আকূত
এই পৃথিবীতে এখন প্রতিটা মানুষের মনে স্বার্থপরের খেলা চলে। প্রতিটা মানুষ নিজের স্বার্থে কথা ভাবে প্রতি নিয়ত স্বার্থের প্রয়োজনে মানুষ বদলে যায়। মানুষের জীবনে ভালোবাসাটা ও এখন স্বার্থপরে পরিণত হয়েছে।
বসন্ত এসেছে বিষন্ন কোকিলের কুহুতানে হৃদয়ের তন্ত্রীতে মুগ্ধতা ছড়াতে, প্রকৃতির সেজেছে আজ নতুন সাজে কৃষ্ণচূড়ার গাছে গাছে যেন আগুন লেগেছে এই ফাগুনে। বসন্তের এই মৃন্দুমন্দ বাতাসের শনশন শব্দ আমার কানে
আমি প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখি একটি বাংলাদেশ, যেথায় ফুল ফসলে ভরে আছে সবুজ ঘেরা নদী মাতৃক সুখের পরিবেশ। রাখালিয়া বাঁশির সুরে যেন মন হারিয়ে যায়, নদীর বুকে মাঝি মাল্লা মনের সুখে
একদিন সৌরভ নিয়ে গৌরব ছুটেছে দ্রুত আনমনে, কে জানে কোন খানে কার সনে দেখা হবে শুভ ক্ষণে? কিছুদূর যায় এদিকসেদিক তাকায় থমকে দাড়ায়, পথ ধারে দেখে মালি নেই লাল গোলাপের
তোমার ছায়া প্রস্তুত রঙিনী, ভুলে যাওয়ার গানে, সৃষ্টির ছন্দে মিশে গল্প তৈরি হয়, হৃদয়ে গভীরে মনের মধ্যে ছড়িয়ে থাকে। আকাশে নীল চাঁদ, তোমার ভুলের কারণে প্রেমের রঙে মোহন সজল হৃদয়,
আমি কাঁদতে চাই নিই কিন্তু আমাকে কাঁদানো হয়েছে। আমি পাগল ছিলাম না তোমার জন্য আমাকে পাগল হতে হয়েছে নিজের অজান্তেই কখন যেনো পাগল বানিয়ে ফেলেছি নিজে কে বুঝতে পারি নাই
পৃথিবীর কোলে পাঠিয়েছো হে অসীম করুণা করেছো দিয়েছো হায়াত প্রার্থনা যেন করি কেবল তোমারি ভুলি না যেন কভু তোমার এই দয়া। ছিন্নভিন্ন হতাশার জীবনেও ঈমানের পথে রাখিও গাঁথা হৃদয়ে থাকে
জন্ম নিলে মৃত্যু একদিন এইতো সত্য চিরদিন আসা যাওয়ার মাঝে কেবল বাড়লো সবার কাছে ঋণ। বুকে আঘাত তারাই করে যাদের বুকে রেখেছো স্বপ্ন তোমার তারাই ভাঙ্গে যাদের স্বপ্ন দেখিয়েছো। জীবন
তোমার ঠোঁটের পরশে সেদিন শক্তি পেয়েছি আমি সাহস যুগিয়ে কিভাবে বলো চলে গেলে তুমি? এখনো ভাবি গভীর নিশিতে সবই কি ছিলো মিছে? তাহলে পরনা সেদিন কেনো নিয়েছে আমার পিছে? ভাবতে