১৪ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে। সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয় নানা আয়োজনে। যদিও এ দিনে বাবা-মা, ভাই-বোন, সন্তান, বন্ধু-বান্ধব সবার প্রতিই ভালোবাসা প্রকাশ করা হয়; তবু
শেখ শাদী (রঃ) সাধারনত খুবই সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। একবার এক দাওয়াতে তিনি ছেড়া ও নোংরা কাপড় চোপড় পড়ে চলে গেলেন। তাই মেজবান তাকে চিনতে না পেরে ফকির ভেবে অপেক্ষাকৃত কম
এক পুত্র নিজের বৃদ্ধ পিতাকে রাতের খাবারের জন্য একটা রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেল।খাবার খাওয়ার সময় বৃদ্ধ পিতা অনেকবার খাবার নিজের কাপড়ে ফেলল। ওখানে বসে থাকা অন্য লোকেরা বৃদ্ধকে ঘৃণার নজরে দেখছিল।
একজন মা কীভাবে প’তি’তা হয়ে উঠেন (বাস্তব কাহিনী) একজন মা কীভাবে – সেদিন, সারাদিন বিষন্ন আর একা কাটিয়ে সন্ধ্যার দিকে বেড়াতে বের হলাম। টিএসসি তে বেশ কিছুক্ষণ বসে থেকে সোহরাওয়ার্দী
বিলকিস খানম কাজল প্রাণ থাকলে হয় যে প্রাণী মন না থাকলে মানুষ নয় প্রাণের সাথে মনের সাধন সত্যিকারের মানুষ হয়। জেনো মানুষ বাঁচে পঞ্চেন্দ্রে বিবেক বুদ্ধি মহাজয় একটু খানি পিছলে
নাসিরা বেগম নিষ্ঠুর নির্মম পরিস্থিতির কাছে ভালোবাসা আজও বড়ো অসহায়, জানি না কোন অজানা অপরাধে ভালোবাসার মানুষরা দুরে সরে যায়। তারা কেন জানিনা হৃদয় বোঝে না , অবুঝ মন তাই
আমিনা খাতুন দিপা সুন্দরের পূজারী আমি; বছরের পর বছর ধরে ঠায় দাঁড়িয়ে আছি; সহস্র রজনী জেগে আছি শুধু তোমাকে দেখার নেশায়। তুমি অমাবশ্যাতে হারিয়ে যাও, তলিয়ে যাও তিমির গহ্বরে, আবার
বীর অরণ্য এই তো সেদিন তোমাকে দেখতে দেখতে, অবেলায় দিনটা শেষ হল সনাতন নিয়মে দুপুর গড়িয়ে সাঁঝ হল। তোমাকে দেখবে বলে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা মত পিছনে ছুটতে লাগলো রাতের হরেক রকম
পি এম জাহাঙ্গীর আলম আসলে বিপদ ঘাড়ের তীরে ছুটে চলে পাগল বেশে হাতে পায়ে জড়িয়ে ধরে দরবেশ সেজে মুরিদ খোঁজে বিপদ কেটেলে কেটে পড়ে দরবেশ বাবা আঁখি বন্ধ করে তখন
আসাদ বিন হাফিজ আমাদের নদীগুলো উত্তরে যায় যায় আর হেঁটে হেঁটে চানাচুর খায় মুখে বলে, কই তোরা, আয় বুকে আয় গিয়ে দেখি ঘোড়াগুলো হাঁটে তিন পায়। নদী দিয়ে কত কত