বেলায়েত হোসেন এখনো আমার সম্পর্কে তোমার প্রত্যাশা দিগন্তে হারানোর মত নয়, শেষ হবার কথা নয়, কুঁড়ির আড়ালে লুকানো বিকশিত ফুলের সম্ভাবনা শেষ হবার কথা নয়, ডিমের আড়ালে লুকানো প্রাণের বিকাশ
মানুষ যখন ফানুস হয়ে যায় সুনির্মল বসু আমাদের পাড়ায় এক ভদ্রলোক আছেন, সব সময় তিনি ভুল ইংরেজিতে কথা বলেন। অথচ, মাতৃভাষায় কথা বলায় তাঁর প্রবল বিরক্তি। প্রায়ই বলেন, বাংলা ভাষাটা
ডা. মুহসিনা খানম একটানা আলো কিংবা একটানা আঁধার কোনোটিই স্হায়ী হয় না! তাই জীবনের আলোকিত সময় ভালোবাসাময় মূহুর্তটুকু বা মূহুর্তগুলো লালন করা উচিৎ সুন্দরভাবে বাঁচতে। তাহলেই ঘোর অন্ধকারেও বেঁচে থাকা
রশিদ হারুন মানুষ শখ করে কতো কিছু যে কিনে ফেলে, আমি একটা অসুখ কিনেছিলাম!! গলির মোড়ে এক ফেরিওয়ালা চিৎকার করে ফেরি করছিলো- “অসুখ কিনবে নাকি বাবুরা, একেবারে টাটকা অসুখ, জীবন্ত
নূরুন্নাহার ফয়জুন মাগো আমি অবাধ্য মেয়ে বলছি তবে শোন, দিনকে আমি রাত বলব কি করতে পার? রাতের বেলা খেলাধুলা দিনের বেলা ঘুম, সকাল বেলা ঘুরিফিরি পড়াই নাইকো মন ! পাড়াই
আমিনা খাতুন দিপা নীলিমা যেন গাঢ় নীলের উপর সাদা রং, এ-যেনো কোনো শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি। আমি তুরাগ নদীর তরীতে বসে আছি; নদীর পানির জোয়ার ভাটার সাথে চলছে বাতাসের ভীষণ
বৃষ্টি মিনা” দীর্ঘ বার মাস পর আবারো একটি বছরের বিদায়,নতুন বছরের শুরু, প্রতিটা বছর হারিয়ে নতুন বছর পাওয়া সৌভাগ্য মানুষের চরম পাওয়া বটে। সবার মনে জমে আছে শত স্মৃতি ক্রোধ,
কনক বিশ্বাস দিনের সুর্য গিয়েছে অস্তাচলে নামিছে সন্ধ্যা আলোকিত রূপ লয়ে ঘরে ঘরে জ্বলছে প্রদীপ শিখা আযান আর উলুধ্বনিতে শুনি নতুনের বারতা। হে প্রিয় পরম তোমারে করি স্মরণ লহো প্রনাম
শাহনাজ পারভীন মিতা রাত গভীরে নিকষ কালো আঁধারে কষ্টেরা এসে দাঁড়ায় দরজার ওপারে, যতই দরজা বন্ধ করি অথচ কতগুলো চোখ শুধুই, চোখ মেলে তাকিয়ে থাকে আমারই পানে। কখনও দেখি লাল
সুনির্মল বসু ঢেউ খেলানো টিলা পাহাড়, রাতের জ্যোৎসনা, পাহাড়ি খাঁজে চাঁদ, ঝাউ বীথি, ঝর্ণা ,দেবদারু বন, স্মৃতির পাড় ভেঙ্গে দিয়ে যায়, এমনই মায়ারাত ছিল সেদিন, বনবাংলোর ঝুল বারান্দায় সেদিন দাঁড়িয়ে