শরতের এই বাদল দিনে পরছে তারে ভীষণ মনে, বর্ষা মুখোর প্রভাত ঘুম কাতুরে তারেই ঘিরে চোখ বুজে তাই কল্পনাতে রাখছি তারে আলিঙ্গনে সবটা জুড়ে তার বিচরণ, মানছে নাতো অবুঝ মন।
দু’টি জীবন যাপন করতে পারে চমৎকার, সুখময়,ছান্দসিক ‘সময়’ মনের অন্ত্যমিলে, কখনো কখনো অপ্রত্যাশিত যোগফল নিবন্ধনে সুর-তাল,লয় কাঁটে সমঝোতার অনুপস্থিতিতে। পূর্ণিমার চাঁদ তখন ডাকে দু’জনারে মায়ায় সুনিপুণে সান্নিধ্যে আয় কোমলমতি প্রেম
দেখে নিও একদিন ঠিক ফিরে আসবো, এই বাংলার আলপথ দিয়ে.. কোন এক অগ্রহায়ণে নবান্নের উৎসবে, অথবা পৌষে সংক্রান্তি মেলায়! যেখানে হারিয়ে ফেলেছিলাম শিশুকাল জন্ম বৃত্তান্ত, স্মৃতিময় শৈশব; পলাশ শিমুলের ডালে
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ ঘোষণা করা হয়েছে। সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৬ জন এই পুরস্কার পাচ্ছেন। আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
ওরা কি মানুষকে অত্যাচার করে? ওরা কি জুলুম নির্যাতনের কথা বলে? ওরা কি মিথ্যার প্রশিক্ষণ দেয়? সুদ ঘুষের পক্ষে কি কথা বলে ওরা? নারী নির্যাতন ধর্ষণের কথা বলে ওরা? ওরা
সূর্য যতবার উদিত,ঠিক ততবার পৃথিবী নিজ কক্ষপথে যতবার ,ঠিক ততবার উত্তাপের উনুন জ্বেলে অধীর হৃদয় কৃষ্ণ সাগরের বিস্তীর্ণ ঢেউ রহস্যময়। আকাশে উড়ে গেল কত শত ভূ-চর সময়ের খোলে ঘোর-লাগা জোয়ার
আধুনিকের লাগছে ছোঁয়া আমার পল্লী-গাঁয়ে, গাঁয়ে যেতে ইচ্ছে জাগে বসতে বটের ছাঁয়ে। পল্লী বিদ্যুৎ পেয়ে খুশি আমার গেরামবাসী, সবার ঘরে টিবি,সিডি মুখে মধুর হাসি। তাল মিলিয়ে চলতে পারে আধুনিকের সাথে,
বহুদিন হলো এসেছিলে তুমি, বসন্ত ভরা জোছনায়। উত্তাল তুমল মায়ায় আমিও ছিলেম জলভরা বরষায়! আকুল হৃদয় বিশাল মায়ায় ঢেকেছে আমারে তোমারই ছায়ায় যে বাঁশির সুরে এ পরাণ ভরি যে গানের
প্রিয় সেই নীল রঙ্গের শাড়িটি আর ছুঁয়ে দেখা হয়না ছুঁয়ে দেখা হয়না নীল সমুদ্রের চেয়ে থাকা নীল নয়না। বদলে গেছে চাওয়া পাওয়ার আকুতি কখন যেনো নিজেদের অজান্তে তাইতো নেই সেই
প্রাণ প্রতিষ্ঠায় এ কোন্ প্রাণের বিসর্জন? নৈতিক স্খলনে যে প্রতিস্থাপন, সবই বিভ্রম’তার সমীরণ। মনে রেখো— সকল প্রীতি স্থিতি নহে, অস্থিতির আয়োজন! বাজবে দামামা, থর-থরে কাঁপিবে চারণভূমি! ঘিরবে আঁধার, বাণীর গ্লানিতে