এই যে সাঁঝবাতি, বিষন্ন সন্ধ্যায় বাংলা এম,এর ক্লাসে থার্ড বেঞ্চের কোনে বসা লম্বা চুল ছেলেটিকে মনে পড়ে কী, তোমার ঢেউ ঢেউ কেশরাশি, কাব্যিক চলার ছন্দ দেখে, প্রথম দিনেই বুঝেছিলাম, আমার
সন্ধেবেলা জংলা পনার মনোহর রূপ, নিত্যই হৃদয় কেড়ে নেয় নানান রূপে, শোভাশ সুন্দর বিভাসিত পৃথিবীর রূপে, আকুল ভাবনায় দোল খেলে বিবেক তুপে । আঁধার রাতে বনঝোপ ঘিরে জোনাকির খেলা, আকাশ
চলে যায় কী অবহেলায় পারিনা সাজাতে তাকে স্মৃতিরা নিত্যই বেঁধে রাখে। জানার ছিল কতো, হয় না জানা তোমাকে আবিস্কারের নেশা ছিল মনে, ভালোবাসা দেয়া নেয়ার ছিল, হয়নি তাও দর্শন অপেক্ষা
চাকুরীটা আর তুমি দুটোকেই অতি কষ্টে ধরে রেখেছি আজও যন্ত্রণা আর চাকুরীতে পার্থক্য কোথায় যেমন পার্থক্য নেই তোমাতে আর যন্ত্রণায়। দীর্ঘদিন চাকুরীর দাসত্ব করেও তার মন পাইনি যেমন করে বুঝতে
তারা- একটি দুটি তিনটি করে এলো তখন- বৃষ্টি-ভেজা শীতের হাওয়া বইছে এলোমেলো, তারা- একটি দু’টি তিনটি করে এলো। থই থই থই অন্ধকারে ঝাউয়ের শাখা দোলে সেই- অন্ধকারে শন শন শন
রাত থম থম স্তব্ধ নিঝুম, ঘোর-ঘোর-আন্ধার, নিশ্বাস ফেলি, তাও শোনা যায়, নাই কোথা সাড়া কার। রুগ্ন ছেলের শিয়রে বসিয়া একেলা জাগিছে মাতা, করুণ চাহনি ঘুম ঘুম যেন ঢুলিছে চোখের পাতা।
শব্দহীন অনুভূতির নীরব ঢেউ হৃদয় ভেঙে দেয় ভেঙে চুরমার হই অহর্নিশ। গভীর রাতের সমুদ্রের গর্জন শুনি তার হাহাকারে কাঁদে নীলজল। কাঁদি এই বিরহীনি। হাজার বছর ধরে পৃথিবী জুড়ে আছড়ে পড়েছে
আবার যদি ফিরে আসি এই গাঁয়ে তবে মানুষের কাছে ফিরে আসব মানুষ আর অমানুষের পার্থক্য বুঝতে পারব অপ্রকাশিত গল্পের অন্তরালে কিছু কথা সেই গল্প বলে দেব আমার দুচোখে নদী বহমান
শানবাঁধানো ঘাট থেকে ঝাঁপ দিয়ে ডুব সাঁতারে চলে যেতাম মাঝ পুকুরে সাথিরা, সে-সব দিনের কথা মনে কি আছে মুরুব্বিরা তেড়ে এলে লাঠি হাতে ভরদুপুরে; হুড়োহুড়ি করে উঠতাম সবে পিটুনির ভয়ে
এ দুটো চোখে আর কতো জল ঝরবে? জন্ম থেকে’ই কেঁদেছি পৃথিবীতে এসে ! জল ঝরানো খেলা, কেমন করে সবো? তোমার বাগানে সুন্দর ফুল, ফলে ভর্তি। কিছু দিয়েছ আমায় তাতেই হলাম