আমি সেই ধ্বংস স্তুপ – কাঠ পুড়ে কয়লা কয়লা থেকে ও ধ্বংসের চিহ্ন বিলীন করার জন্য ঢেলেছে মনুষ্যত্বহীন ছলনার পোড়া কৃষ্ণ তৈল। যার দমবন্ধ করা ধোঁয়ায়- আমার শ্বাসনালি পুড়ে যাচ্ছে
সেদিন বলেছিলে তুমি ফিরে আসবে তাই আমি অপেক্ষায় ছিলাম, বলেছিলে ভালোবাসবে তাই অপেক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে আজ আমি অনেক ক্লান্ত, হারিয়ে যাওয়ার সীমান্ত পেরিয়ে তুমি চলে গেছো অচেনা সেই দূর
আমি এই আমি? আমি মরে গেলে কারো হবে ক্ষতি আমি বেঁচে থাকলে কারো হবে গতি। আমি কিছু মুখের আহার জোগাড় করি আমি কিছু জনের নির্ভর জীবন তরী। আমি কষ্ট করি
আমার বিবেচনায় বর্তমান সময়টা হলো দেশ থেকে নানা কারণে ছড়িয়ে পড়া প্রবাসী লেখকদের লেখার সময়। এরা বাংলা ভাষার আশাজাগানিয়া সাম্প্রতিক লেখকগোষ্ঠী। এদের মধ্যে কবির সংখ্যাই অধিক। আমার জানা মতে আমাদের
এখানে হৃৎপিন্ড ছিল,ফুসফুসের বিশুদ্ধ বাতাস শীতলক্ষ্যার স্বচ্ছ স্রোতে মসলিনের রেশম তন্তুজ। এলোমেলো শতাব্দীর ঘরে শৌর্য বীর্যের খাম অযোধ্যার গন্ধমাখা মসলিন নগরী পানাম। নক্ষত্র ছিলো মহাজাগতিক ঘড়ির কাঁটায় ঈসা খাঁ’র তুর্কী
হেমন্ত হাসিমুখে বিদায় নিলে…. কুয়াশার চাদর জড়িয়ে তুমি এলে, তোমাকে কাছে পেতে প্রতীক্ষ্যমাণ… প্রহরের পর প্রহর মাসের পর মাস প্রকৃতি নিয়মে অবশেষে এলে। লাল গোলাপের পাপড়ি বিছিয়ে…. তোমাকে বরণ করি
আঁকাবাঁকা পথটা আজ কেমন যেনো নেই কোলাহল, নীরবতা আর স্মৃতির স্তুপ মাত্র। মিলবে না তেমন কোলাহল, কানে বাজবেনা পদশব্দ, হৃদয়ের দক্ষিণের জানালায় লাগিয়েছি খিল। সবুজ শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে হয়েছে ক্ষয়
পৌষের শেষে জেঁকে বসে শীত, প্রভাতে কনকনে শীতে কেহ গায় গীত। কেহ পায়চারী করে কুয়াসাঘেরা ভোরবেলা, প্রত্যুসে চাষিভাই করেচাষ,কাজে নেই হেলা। গৃহ আঙ্গিনায় বসে কেহ’বা ধূমায়িত চা’য়ে দেয়’মুখ, সকালের কনকনে
গরম গরম লাগে চরম উলুটপালুট কিছু হলে লাগে তখন অনেক সরম. হারাইলে তাল খেতে হয় গাল মরিচ কিন্তু লাল খেতে অনেক ঝাল নেতা পালায় অনেক সময় রেখে পঙ্গপাল. রংধনুর ঝলসানি
অদ্ভূত ভালোবাসা সেই বৃষ্টির রুপোলী ফোঁটায় কদমের ঘ্রাণ তুলেছিলো অনায়াসে তড়িত স্ফূলিংগের আকস্মিক রঙের ঝালর, ঝিলিক স্পর্শে পুরো প্রান্তর জ্বলেছিল অপ্রয়োজনে কি ভীষন বিরক্তি, হঠাৎ স্পর্শ ছিন্ন স্বর্ণ হাতে অস্বস্তির