হাসনাবাদের কৃতী সন্তান যার কোনো জুড়ি নাই , স্বনামধন্য চেয়ারম্যান তাকে সালাম জানাই । জনগণের ভালো ও মন্দ তার উপরেই ন্যস্ত , সমাজের সে মেটায় যে আছে যত দ্বন্ধ সব
রূপে রূপে অপরূপা আমাদের শতরূপা, একি অঙ্গে হরেক রূপ নানারকম শোভা। শতরূপার শতো মানুষ হয়েছে একমন, মিলেমিশে কাজকরে দূর্যোগের ক্ষণ। গরীব দুখির পাশে দাড়ায় আমাদের শতরূপা। অসহায়দের সহায়তা করে রোগীদের
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজের কনিষ্ঠ কেরাণী কার্তিক কুমার কর্মকারের কোকিল কন্ঠী কন্যা কপিলা কর্মকার কাশিতে কাশিতে করুণ কন্ঠে কমল কাকাকে কহিল, “কাকা, কড়ি কাঠের কেদারা কিংবা কারখানার কাপড় কেনাকাটায় কৃষাণীরা কিছুটা
দেখতে দেখতে আট মাস কেটে গেল আমার স্বামী ফয়সাল না ফেরার দেশে চলে গেছে,আমাকে দুঃখের সাগরে ভাসিয়ে আর আমাদের মেয়েকে এতিম করে। ভাইয়ের মেয়ে রিমিকে স্কুল থেকে নিয়ে বাসার গেইটের
আজ এক মাসের বেশি হয়ে গেল রক্তিম আর মেঘলার, একে অপরের সাথে কোনো কথা নেই। যদিও এটা নতুন নয়। ইদানিং টুক কথা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। আগে ঝগড়া হত
কোনো নারী যখন খবরে শিরোনাম হয়, চমকে উঠি, নিশ্চয় ধর্ষণের শিকার হয়েছে, অথবা নিগৃহীত হয়েছে সামাজিক বিচারে, এমনটাই তো প্রত্যহ ঘটছে আমাদের চারপাশে। মাতৃত্ব বিবেচনায় বিবেক তখন খড়্গ তোলে তথাকথিত
ওরে “মন” বাঁচতে যদি চাস- স্বপ্ন দেখা থামিয়ে দে তুই করিস না আর আশ, জীবন যাবে ধড়ফড়িয়ে করবি যে হাঁসফাঁস। “ভালোবাসা”- সে’তো অভিশপ্ত যাস না ছুঁতে কখনো, যা বলছি- মনে
নীতি বাক্য বলেন সদায় শুনি বড় নেতা নিজের নীতি নির্বাসনে দিয়ে কথা বলে চেতা। দশের মাঝে বলে কথা নেতা সার্থ হীন গোপনে তিনি পকেট ভারী করে প্রতি দিন। অর্থ জরিমানা
তুমি গ্রীষ্ম তুমি বর্ষা তুমি হেমন্ত তুমি শীত, নানান রূপে কতো ভাবে গেয়ে যাও ঝংকারি গীত। তুমি শরৎ তুমি বসন্ত রূপের নাই অনন্ত, সময়ে সময়ে ছড়িয়ে দাও তোমার সুরের ছন্দ।
তুমি এসে কষ্টের আকাশটাকে ভালোবাসার আচঁলে জড়ালে। রোমান্স শিশিরে নেভালে মনের অবক্ত দহন জ্বালা! বুকের গহীন অন্ধকারে উড়িয়ে দিলে ৷ ভালোসার প্রজাপতি। কষ্টগুলো পাপড়ি মেলে সুবাসে জড়ায় ভালো লাগার অনুরণে,