জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় শুরু ; পঁচিশ থেকে তিরিশ বছরের মাঝে ! কেউ পড়াশোনায় ফোকাস করে, কেউ জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার ; জন্য লড়াই করতে-ই থাকে ! কেউ পড়াশোনা শেষ করে
মরণকে আলিঙ্গন করতে শেখো আঁখির সম্মুখে বহুবিধ ছবি ভেসে আসে কোনটা কী বিবেক জাগ্রত করবে। মরণকে আলিঙ্গন করেছো এবার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পালা। শাঁখা পরিহিতা এক লাবণ্যময়ী সুন্দরী রমনি পাহাড়ি
সব ফুলে মালা হয়না অকালে কিছু ঝরে কিছু থাকে রাস্তা ঘাটে কিছু যায় ঘরে। কিছু মালা নব-বধূর শোভা বৃদ্ধি করে ফুল সজ্জার রাতে বধূর পাহারা দেয় ঘরে। আদর করে প্রেমিকার
রৌদ্র-খরায় হাপিত্যেশ একপশলা বৃষ্টির জন্য অথচ বৃষ্টির দেখা নেই,শীতল হইনা মৌসুমি বায়ে মেঘেদের ডাক শুনি ধলেশ্বরী গাভীর মতোন তবে ভিজবো কবে বৃষ্টিমুখর দুপুরে আদুল গায়ে ! শ্রাবণ তো যাই যাই
যখন সময় থমকে দাঁড়ায় কোনো এক সীমানায় তখন কিন্তু প্রশস্ত করে দু’হাত বাড়ায় হতাশা নামক শব্দটা। যেদিকে তাকাবে যখন সবই হবে ধুঁ ধুঁ মরীচিকাময় কেবলই দেখাবে স্বপ্ন এই বুঝি আসলো
লোভ মানুষকে পশু বানায় চিরায়ত ধর্মের কথা জানার পরও লোভ করে মনে লাগে ব্যথা। লোভে পড়ে অনেক রাজা রাজ্য হারিয়ে ফকির কেউবা আবার আল্লার রাস্তায় নেমে করে জিকির। কেউবা করে
রেখেছিলাম মনে হঠাৎ হারিয়ে গেলো কোন বনে, জঙ্গলে জঙ্গলে খুঁজি আনমনে ভয় করে না আর প্রাণে। হারিয়ে ফেলেছি দেহের চালিকাশক্তি নেই কোন ভালোমন্দের পার্থক্য করার অনুভূতি, সে এখন জীবনের শুধুই
গগন জুড়ে মেঘের খেলা হাওয়ার তালে ভাসে, অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামে আষাঢ় শ্রাবণ মাসে। দিবা নিশি ভারী বর্ষণ খালবিল থৈ থৈ, চারদিকেতে বানের পানি পড়েছে হৈ চৈ। বসত ভিটা কৃষি
হঠাৎ করে জীবন হলো এলোমেলো শান্তির ঠিকানা কোথায় হারালো, সুখের ঘুম বিদায় নিলো জীবনের সঙ্গী বিছানা টিও ভয় পেলো। আদর করে নাম রেখেছিলাম ময়না ভেংচি কেটে সে-ও এখন কথা কয়
তোমার পরনে নীল শার্ট আর নীল প্যান্ট, সাগরের নীল জলের সাথে মিলেমিশে একাকার। প্রভাত বেলায় উদিত এক সৌর্যদীপ্ত সেই তুমি ডুবন্ত বেলায় এক ক্ষ্যাপাটে তাপদাহ নিয়ে সাগরের বুকে মুখ লুকাও