নিরবতা নীলার বৈশিষ্ট্য না চঞ্চল নৈপুণ্যে সাজিয়ে রাখা প্রানবন্ত মুখ, চঞ্চল দুরন্ত, মনে তার ভালোবাসা অফুরন্ত কিন্তু সময়ের তীব্রতায়, চরম বাস্তবতায় সে আজ পরাস্ত, তাই অভিমানে ঠোঁটের ফুলিয়ে নীলা নিশ্চুপ
মহান নেতা জাতির জনক নেতাগণের সেরা, জাতির স্বপ্ন পূরণ করতে ছিলো আঁধার চেরা। একটি স্বাধীন দেশের জন্য সজাগ ছিলে তুমি, পাক বাহিনীর কবল থেকে রক্ষা করলে ভূমি। বীর বাঙালি তোমার
স্বাধীন দেশে আত্মভয় ডাকাত আসছে রাতে, বন্দুক ছুরি বোমা নিয়ে হাজার জনের সাথে। মধ্যরাতে বাড়ির সবে আর্তনাতে ওরা, পেতে চাই সেই সোনার বাংলা রক্ত দিয়ে গড়া। তারা কি ভাই বাংলার
বাংলাদেশে উঠলো রবি কুয়াশা ভেদ করে, আঁধার চিরে রবির রশ্মি পড়ছে ঝরে ঝরে। গগন জুড়ে কুজ্ঝটিকা জমাট বাঁধা ঘোর, নবীন গণের তাজা রক্তে হলো নতুন ভোর। কতো মায়ের মানিকগণে যুগের
দ্রুত পাখি পালিয়ে গেল জীবন নিলো কেড়ে, পাহারাতে তীক্ষ্ণ ঈগল নিজের আবাস ছেড়ে। চিল শকুনের দলটি এবার পালায় বেড়ায় কেন? উট পাখিরই লম্বা ডানায় উড়ে না সে যেন! ময়না টিয়া
দেশ যে আবার স্বাধীন হলো খুবই ভালো কথা! জ্বালাও পোড়াও ধ্বংস করে দিচ্ছে কারা ব্যথা? অত্যাচারের নিপাত গেল সূর্যকিরণ এলো, উর্ধ্বগতির লাগাম যেন ভাঙতে সবাই চলো। হাজার প্রাণের বিনিময়ে অর্জন
আলেমদের মেরে যারা ত্যাগ করেছে দেশ! স্বৈরাচারীর পতন হলো স্বাধীন বাংলাদেশ। ছাত্র-ছাত্রী জীবন দিল আমজনতার মাঝি, রিজার্ভ সব লুঠে নিয়ে দেশ ছেড়েছে আজি। রক্ত খেকো পিশাচিনী দলের নেতা নেত্রী, পালিয়ে
তুমি যেন থাকো বন্ধু চিরকালই নবীন, ভবঘরে রক্ত শেফালী হবে না যে প্রবীণ। তোমার লালে প্রবাদ যেন সত্য নয়ন তারা, রেখে গেছো বন্ধু তুমি প্রেমের ঝর্ণাধারা। অশ্রুসিক্ত ঘুমায় আছো মৃত্তিকারী
চারিদিকে বর্ষা বইছে পুকুর নদী ভরা, মিষ্টি জলের উল্লাসেতে মৎস্য রাজি ওরা। মলা-ঢেলা রুই কাতলে মাছের আনাগোনা, নতুর পানির জলপাতে টেংরা পুটির পোনা। পাঁচমিশালীর পুষ্টিগুনে তেলাপিয়ার ভেলায়, পাঙ্গাস তারাও বাদ
দাঁত পরেছে খুকুমণির জন্মদন্ত নড়ে, আব্বু, আম্মু, ছোটমনি সবাই মিলে ধরে। দাঁতের উপর দাঁত উঠেছে সামনে পিছের ঘরে, সবার নাকি ঘাম ছুটেছে টানাটানির করে। দাঁতের গোড়ায় রক্ত ঝরে ধৈর্য আমার