হারু মিয়ার কল্পরাজ্য হারামতির চরে আমজনতা বুদ্ধিমত্তায় শান্তিতে বাস করে। লোকের মুখে শুনেছিলাম চরটি বেজায় ধনি। শোয়ার ঘরের খাটের তলায় জোটে তেলের খনি। আকাশ পথে চলাচলের বন্দরগুলো ভরে ছোট-বড় সোনার
এই দুনিয়ায় আদালতে পেতে পারো ছাড়, পরকালে বিচার দিনে পাবে না কেউ পার। ইহকালে গায়ের জোরে করছো তুমি রাজ, পাপের পথে লোভের বসে করছো কত কাজ। আখিরাতে সকল কিছুর হিসাব
এখন তো আমি সেই আমি নেই কোথায় হারালো দিন গুলো সেই, বৈশাখের ঝড়ে আম কুড়াতাম বন্ধরা মিলে সেই কথা গুলো শুধুই স্মৃতিতে দোলে। বিয়ে বিয়ে খেলতাম পুতুল খেলার ছলে কলা
হৃদয়বান ব্যক্তি হয়েও যদি তুমি, আমার স্মৃতিচারণ গুলোকে, মুছে ফেলতে পারো? তবে আমিই বা কোন নন্দিতা, যে কিনা তোমায় ভুলতে পারবো না। শত চেষ্টার পর, বার বার হোচট খেয়ে পরেও,
মৃত্যুর সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে জন্মেছ তুমি তোমাকেই গিলে খাবে একদিন এই স্বর্গভূমি কী, কিছু রেখে যেতে চাও! মৃত্যুর পর, কতবছর বেচে থাকতে চাও? ভেবেছ কি? নিজের স্পর্শ মানুষের বুকে রেখেছ
মানব সেবায় পরম শান্তি ক্লান্তি নাই যে কভু, সারাজীবন করবো সেবা শক্তি দিও হে প্রভু ! গরীব দুঃখীর পাশে থাকে এমন মানুষ যারা, তাদের পাশে রেখো আমায় করে চোখের তারা।
আমাদের গ্রামখানি মায়ের মতন, ফুল ফল ছায়া দিয়ে করে যতন। বৃক্ষলতায় ভরা মায়াবী এই গ্রাম, দেশে আর বিদেশে অনেক সুনাম। কাননে কুসুমকলি ছড়িয়ে দেয় ঘ্রাণ, পাখিদের কলতানে নেচে ওঠে প্রাণ।
আমার নীল আকাশ জুড়ে তুমি আছো, আমার শুভ্র মেঘের উঠোনে তোমার পদচারণা বারোমাস। দখিনা হাওয়ার হিল্লোলে পত্র-পল্লবের শাখায় শাখায় তুমি আছো নব প্রভাতের শিশির ঝরানো শিউলি ফুলের সৌরভে তুমি আছো
তওবা করলে ক্ষমা করেন মোদের স্বয়ং আল্লাহ, দ্বীনের পথে মহৎ কর্মে দিতে হবে পাল্লা। ক্ষমা হলেন মুমিন ব্যক্তির মহৎ একটি কর্ম, দোষী জনকে ক্ষমা করে মেনে চলেন ধর্ম। কঠোরতা ত্যাগ
আজকের আকাশ কেনো ঝলমল বন্ধুর আগমণে নদীর পানি টলমল। পূর্ণিমার চাঁদ কেনো এতো রূপবতী আমার বন্ধু আসছেন শিঘ্রই অতি। এক আকাশ তারা ফোঁয়াড়ার মতো ঝরে বন্ধু আসছে আমার এতোদিন পরে।