আবাসনের পূজো। সেই উপলক্ষে সান্ধ্য জলসা। মিঃ রাজ মঞ্চে ওঠার আগে আমার দিকে চেয়ে মৃদু হাসলেন। উনি জানেন, আমি ওনার গান ভালবাসি। আগেই ওনাকে অনুরোধ করেছিলাম, মুকেশের স্যাড সঙ শোনাবার।
হঠাৎ করে বাবা বলে টাকা নাও হাজার! ধনেপাতা কিনবে তুমি মানিকদির বাজার। দশ টাকায় আনতে হবে ইফতার সময় অল্প! এক নিমিষেই দৌড়ে গেলাম বন্ধ করে গল্প। প্রথম কেনা আমার হাতে
সোনার ইলিশ রুপা দিয়ে বেঁধে রাখা মাছ, খেতে হলে রোপন করি টাকায় ধরা গাছ। লালন পালন করতে হয় না নদী থেকে আসে, হাজার টাকা ধনী গুনে খাচ্ছে বারোমাসে। গরিব এখন
রাগ করেছে খুকুমণি ছোট্ট তাদের নালিশ! খোকাবাবুর একই কথা কিনতে হবে ইলিশ। দু’জন মিলে হাটে যাবে ইলিশ মাছের বায়না, বাদাম ভাজা, মিষ্টি চকলেট এসব তারা চায় না। ইলিশ মাছের ডিম
মুরুব্বী আমার দাদা ভাই বৃষ্টি ভেজা দিনে, কাব্যটাকে ভালোবেসে সাহিত্যেরই টানে। কর্ম কাজে হাজার বাধা নিষ্ঠা তাহার মাঝে, সাদা মনের মানুষ দাদা ব্যস্ত সদা সাজে। জামান স্বজন, বন্ধু সকল গ্রাম
বাকহীন শব্দে ভাসে বিরহী মন মনে পড়ে পুরোনো দিন কষ্টের নোনাজলে সাঁতরে বেড়ায় শূন্যতার ভেলা তুমি বিহীন। চোখে চোখে হয়না কথা ভাসেনা স্বপ্ন কল্পনায় ভাসাবো সুখের নাও দুজনে ডুবে যাবেনা
আমিই বুঝি কষ্টে আছি তবে আছে সুখে কারা, দুঃখের কথা ভাবতে গেলে দেখি সুখে আছে কি ওরা? কষ্টে ভরা মন আমার,উদাস হয়ে চলি তাই! চলতে চলতে একদিন আমি মন সাগরে
মায়ায় ঘেরা সবুজ গ্রাম বয়ে গেছে নদী, ধানের ক্ষেতে সবুজ মাঠ রৌদ্র হতাম যদি! গরু মহিষ লাঙ্গল কাঁদে কৃষাণ চলে মাঠে, ছেলেমেয়েরা বই নিয়ে যায় বিদ্যামাতার পাঠে। শত শত গাছের
সাদা সাদা পাপড়িগুলো কাশবনের ছোঁয়া, কাছে আসলে মনে হয় ভালোবাসার ধোঁয়া। দূর থেকে ভালো লাগে সারি সারি বন, দুঃখ কষ্ট দূরে রবে ভালো হবে মন। অরন্যতে ছেয়ে গেছে কাশবনের রূপ,
কা কা করে চেচায় কাকে ঘুম ভাঙাতো ভোরে, কাকের বাসায় তামা সোনা কুড়ায় আন্ত ঘরে। কালো কালো দাঁড় কাক গ্রাম বাংলা জুড়ে, কীটপতঙ্গ আবর্জনা খেতো তারা খুরে। ছোট বড় হাজার