শীতের শরৎ মেঘলা মেঘলা বৃষ্টি এলো ঝুম.. গরম স্বাদের ইলিশ পোলাও খেয়ে দিলাম ঘুম। রাতে হবে বারবিকিউ তিস্তা নদীর বিচে, তালের পিঠা হাতে নিয়ে কদম গাছের নিচে। মিষ্টি চায়ের ধোয়া
ওগো হিয়া বলতে চাই যে আমায় কাছে নিবে? তোমার সাথী হবো আমি কোমল হাতটি দিবে? তুমি আমার রক্ত গোলাপ তোমার কালো চুলে, মাধবীলতা কৃষ্ণচূড়া তোমার অঙ্গদূলে। তোমার কথা শুনবো আমি
আমি জন্মেছি সেই সময়ে! তখন পাঁচ দশ পয়সার মূল্য ছিল, আমি জন্মেছি সেই পরিবারে! সেই বাড়ির ভেতরে তখন___ আরো একটা , ভিতর বাড়ি ছিল! মেয়েদের শালীনতার অন্দরমহল ছিল, সেখানে মেয়েদের
স্বর্গ থেকে নেমে এলেন অন্ধকারের দেশে, মরুর বুকে জন্ম নিলেন শীতল হলো শেষে। বর্বরতার সর্বধারা মগ্ন ছিল সবে, সত্যের বাণী হাতে নিয়ে নবী এলেন ভবে। রহমতেরই পদধূলি রাসূলের আগমনে, সবার
মহান প্রভুর কাছে জানি ইসলাম শ্রেষ্ট ধর্ম, বিভক্ত আজ করছে জাতির মন গড়া ওই কর্ম। সত্যের প্রতি ঈমান আনা এমন একটা জাতি, ঈমান নিয়ে আপন গোত্রে করবে হাতা-হাতি। অন্ধের মতো
মামা বলে আনতে পারি জ্বিন সর্প আমি! যেতে হবে শ্মশান ঘাটে ভয় পাবে না তুমি? মন্ত্র পড়ে কত কিছু চেষ্টা করে যাচ্ছে, মধ্যরাতে সাথী সঙ্গী ভয়ে পানি খাচ্ছে। আছো নাকি
নিজের ধর্মীয় রীতিনীতি বলতে কি বুঝাতে চাইছেন এবং আমার ধর্ম কি হবে সৃষ্টির আগে জানা ছিলো না এটিই মহান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির রহস্য আর এই রহস্য অতি গোপন। আমি আমার ভেতর
তোমাকে ভালোবাসিনি শরীরের আকর্ষণে যে ভালোবাসায় থাকে শুধু যৌনতা পেয়ে গেলে হারিয়ে যেতে দুইদিন লাগেনা, আধুনিকতার ছোঁয়ায় শরীর স্পর্শের বাহানা কিছু জীবন নষ্ট হয়,কিছু আত্মহত্যায় মুক্তি পায়। তোমাকে আমি ভালোবাসিনি
প্রিয়ার চোখে চোখ রাখা মানে প্রেমে পড়া প্রেমের সাগরে ডুবে আজ আমি দিশেহারা, যদি তুমি দুরে যাও তবে প্রেমের সুতোয় টানপড়া, ভালবাসাহীন জীবনটাকে টেনে নেওয়া বড়ই কঠিন আর ভুলে যাওয়া
মেঘাচ্ছন্ন আকাশ,কখনো কখনো বৃষ্টির ঝিরিঝিরি তাত্ত্বিক স্বরধ্বনিতে, আনমনা আমি — বেখেয়ালে মনটা উড়ে নির্লিপ্ত অজানায়। বিষণ্ণতার ক্যানভাস পোক্ত করে পেঁচিয়ে ধরে অনুভূতির সমষ্টি– আমি আমাতে ডুবতে থাকি আস্তে আস্তে,হাতড়াই কত