গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু ভিজে গেল মাথা, সখা তুমি এগিয়ে দিলে কলা পাতার ছাতা। নিদম হাওয়া বইছে বহে বলছো না যে জানি! স্বপ্ন দেখায় এই তো আমি ঝাঁপটা দিচ্ছে পানি।
বৃষ্টি নামলো ধরার বুকে ঝমঝমিয়ে ভাবে, আজকে ধরায় সব প্রাণে’ই জানি স্বস্তি পাবে। আজ প্রকৃতি কাঁদছে দেখো ভাঙলো যত আড়ি, শীতল হাওয়া বইছে আজি হৃদয় নিলো কাড়ি। সবুজ প্রাণে সজীব
সোনার ফসল উঠবে ঘরে। অনেক আশা মনে। ভেঙ্গেছে বাঁধ ঢুকছে পানি অশ্রূ চোখের কোণে। অঝোর স্রোতে আসছে পানি ধানের ক্ষেতে ডুবে। চোখের জলে ভাসিয়ে বুক কষ্টের মাঝে সবে । মেলেনা
হঠাৎ করেই একদিন পথের ধারে কুড়িয়ে পেলাম কিছু রঙিন কাগজ। কাগজগুলো যত্নে করে রেখে দিলাম। অদ্ভুত সে কাগজ থেকে রং ছড়াতো মনে, কখনো নীন আকাশের মত সাদা মেঘময়, কখনো গোধুলির
আষাঢ় শ্রাবণে বাদল নিয়ে ফুটলো কদম ডালে জুঁই মালতী বকুল ফুটে ময়ুর পেখম তুলে। নদীর বুকে পাল তোলা নাও চলছে সারি সারি মাঝে মাঝে সুর্যি মামা খেলছে লুকোচুরি। মিঠা পানির
তুমি কখনো পুরনো হবে’না প্রিয়! আমি তোমাকে প্রতিদিন নতুন করে ভালোবাসবো! আগলে রাখবো বাহুডোরে। ভালোবাসার স্বপ্ন কতইনা রঙিন! পিপাসিত মন ছটফট করে, তোমার সান্নিধ্য পেতে; মনের এই ব্যাকুলতাই আমার প্রেম।
বাজেট মানে হয়না যেনো গরিব মারার ফাঁদ, কৃষক শ্রমিক মাথায় রেখো যায়না যেনো বাদ। বাজেট নিয়ে ভাবনা কতো কেমন বাজেট হবে, জিনিসপত্রের দাম বাড়িলে মহা মুশকিল তবে। বাজেট মানে আয়ও
হলুদ কাঁচা আলতা মাখা দুধে মালাই গড়ন, হাতটি তাহার শিউলি ডগা কালো কেশের বরণ। সুন্দরী বউ আলোকিত তুলোর মতন মনটি, মুচকি হাসির শরাব পিলায় ব্যস্ত তাহার দিনটি। সূর্যকিরণ লমহ বাহার
রাসুল প্রেমে মন উতলা গভীর রাতে কাঁদে, নবীর রওজা সালাম দিতে আশেক হৃদয় সাধে। রাসুল প্রেমের আশেক গণে চল মদিনার টানে, মদিনার ওই খুশবু বাতাস হৃদয় শান্তি আনে। রাসুলের ওই
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল তীব্র শীতের রাতে পথিক ছিলেন দূরের পথের কেউ ছিলোনা সাথে । ক্লান্ত হয়ে শরীর গেলেন মসজিদের ও মাঝে কাটবে হেথা রাতটি আজি ভাবনা সকাল কাজে ।