নন্দিনী শত কাজের ভীড়ে যখন তোমায় মনে পড়ে আমি দিশেহারা হয়ে তোমায় খুজে ফিরি, অতীতের সেই নিবিড় প্রেম ও হৃদয়ের মুগ্ধ আবেগ নাড়া দেয় আমার মনের গহীনে। আজও তোমার ছবি
আকাশ ঢাকা মেঘ পালকে উদাস দুপুর হাওয়ায় দোলে, ভেজা মেঘের আভাস এসে ভিজিয়ে দিলো মনের বাতায়নে। ঝিরি ঝিরি বাতাস বইছে মনের কাননে তার আবেশ ছড়িয়ে যায় সবুজ অরন্যে, লুকোচুরি ওই
সালিশের বৈঠক বসেছে গনি মিয়ার স্ত্রী রেখার বিরুদ্ধে।চেয়ারম্যান সাহেব বললো -গনি মিয়া ঘরের বিষয় বাইরে আনলা কেনো? এতে তোমারই ইজ্জত যাবে। হুজুর আমার বউকে অনেক বুঝাইছি ছেলে মেয়ে বিবাহ যোগ্য
সুখের জীবন গড়ার জন্য মানুষ ছুটছে শুধু, জীবন ততোই করছে কঠিন দেখছে চোখে ধুধু। এমন ভাবে চলছে জীবন একটু সুখের খোঁজে, কোথায় আছে সুখ লুকিয়ে মানব নাহি বোঝে। ধনীর জীবন
সোনার বাংলা দেশটা ছেড়ে বিদেশ কেনো যাচ্ছো ? মোদের দেশের সোঁদা মাটির ঘ্রাণটা সেথায় পাচ্ছো? খাল দাপিয়ে শাপলা তোলা শৈশবের সেই স্মৃতি, দেশের প্রতি ভাবায় নাকো যা ছিল সব প্রীতি।
গন্ধরাজ ফুলের গাছটা ফুলেফুলে ভরে উঠলেই তুমি একটা চাঁদ ঝুলিয়ে দাও ঠিক মাথার উপর, আর আমি জ্যোৎস্না জলের স্রোতে সাঁতার কেটেকেটে পাগল হয়ে যাই, কোনটা রেখে কোনটাতে জড়াই, তোমার ভালোবাসা
একটা মিথ্যেকে ঢাকতে হাজারটা মিথ্যা কথা বলতে হয় তবুও মানুষ মিথ্যা কথা বলে অনায়াসে অনর্গল যখন তখন। একবার অন্যায় করে শাস্তি না পেলে যেমন সাহস বেড়ে যায় তেমনি একবার মিথ্যাকে
শেষ হয়ে এলো মোর পাতা ঝরার দিন ফুটেছে তোমার শাখায় নতুন পাতা, মোর শিরদাঁড়া নুয়ে পড়ে বয়সী ভারে ধুয়ে ফেলি যতো প্রথাগত মলিনতা। কতো দিন কতো মূহুর্তরা দিয়েছে ফাঁকি হয়তো
ইচ্ছে ছিল রোদ ঝলমল কাঁচা হলুদ রোদে দেই উপহার ভালোবাসা নিছক প্রতিশোধে । রোদ্দুরে চুপ গা ভেজাবো তোমার সারাদিনে চকচকে রোদ ঝিলিক মারে ফেললে আমায় ঋণে।। মন ভালো নেই তাই
বিপ্লবী লাল সালাম, শক্তির প্রতীক, মুক্তির গান, দুর্জয় হৃদয় জাগ্রত, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় দীপ্ত। ভাঙবে শৃঙ্খল, মিটবে ক্ষুধা, লড়াইয়ে জাগে নিপীড়িত বুকে, গর্জে ওঠে গনগন ভাষা, আলোর পথে অন্ধকার ভাঙা। রক্তে