বিমল বললো– পাশে থাকা মানুষ গুলোকে নিজের কথা গুছিয়ে বলা যায় না সীতা। ওদের কাছে নিজেকে রাফ খাতা মনে
যদি জানতাম সেদিনের সে-ই দেখাই শেষ দেখা হবে তাহলে তোমার হাতটা আরো কিছুক্ষণ নিজের মুঠোয় রাখতাম। আরো কিছুক্ষণ তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে খুঁজতাম সেখানে আমার জন্য সামান্য একটুও শ্রদ্ধা, ভালোবাসা
সোনার ছেলে আপন ছেড়ে প্রবাসে দেয় পাড়ি, জীবন মরণ লড়াই করে টাকা পাঠায় বাড়ি। চোখের জলে বুক ভাসিয়ে ছাড়ে জন্ম ভূমি, বিদায় কালে মায়ের কপাল রাখে আদর চুমি। কাজের শেষে
রেমাল একটু একটু করে দোলা দিচ্ছে উড়িয়ে নিয়ে যাবে যেন সব। সোনালু দিয়ে সাজানো চালা ঘরটা নিয়ে গেলে কি সর্বনাশ হবে আমার! ওটার সামনে দাড়িয়ে আমি স্বপ্ন দেখি দুটো দিন
জীবন মানেই উদ্যমতা জীবন মানেই লড়াই, জীবন মানেই হৃদয় স্পন্দন থামলে যাবে বড়াই। জীবন মানেই শৃঙ্খলতা জীবন মানেই হাসি, জীবন মানেই নির্ভেজাল রোদ দুঃখে কেন ভাসি? জীবন মানেই কর্মজীবী জীবন
শেখ হাসিনার উন্নয়ন আজ দেখছে বিশ্বব্যাপি, উন্নয়নের জোয়ার আজকে বিশ্ব গেলো ছাপি। পদ্মার বুকে পদ্মা সেতুর গড়ার ইচ্ছে জাগে, দেশের অর্থে গড়লো সেতু নয়তো কারোর ভাগে। জানুক এবার বিশ্ববাসী বাঙালিরা
জন্ম,মৃত্যু এবং বিবাহ কখন কি ভাবে, কোথায় হবে এটা সয়ং বিধাতা ছাড়া অন্য সবার অজানা। সুখ নামক সোনার হরিণ কার কাছে কখন ধরা দেবে আর কে তার নাগাল পাবে না
কাউকে গাদা বললে হয়ে যায় গালি, বাঘের বাচ্চা বললে অমনি বনে যায় বাহু বলী! কেউ নিরীহ কেউ আবার হিংস্র উভয়ইতো পশু, বুঝতে মোদের কষ্ট হয় যেনো মোরা একেবারে শিশু। দাদা
উপকূলে থাকি মোরা- নির্ঘুম কাটে রাত, মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ মোদের, সহ্য করি ঘাত। ঝড়ে,ঝঞ্ঝায়,দুঃশ্চিন্তাতে বছরগুলো ঘোরে; অনাহারে কাটে জীবন ছিন্নভিন্ন ঘরে। প্রকৃতির ঐ রুষ্ট স্বভাব আমরা দেখি চেয়ে, অশ্রু কেবল
বত্রিশ নম্বর জাতির পিতার রক্তে ভেজা বাড়ি, দেশ নায়কের জীবন বিনাশ ভুলতে নাহি পারি। বিপথগামী —শত্রুসেনা এলো গভীর রাতে, জাতির পিতার জীবন নিতে বুলেট ছোড়ে হাতে! হায়নার বেশে পিচাশগুলো কেড়ে