সদ্যবিধবা মল্লিকা হারায়েছে পতি,
চারিদিকে লোভাতুর হায়েনার দৃষ্টি!
অস্তিত্বহীন জীবন বিধাতার সৃষ্টি,
আপনারে বাঁচাবারে কেঁদে ফিরে সতী।
অপয়া অলক্ষ্মী বলে গাল পাড়ে লোকে!
জীবন সঙ্কটে তার প্রাণ বুঝি যায়!
বিপন্ন জীবন নিয়ে সে যে অসহায়!
চরিত্রহীনা বিধবা ভাসে পতি শোকে।
রঙিন শাড়ির ‘পরে নেই অধিকার!
কুলটা নারীর বল কেন এত সাজ?
ব্যভিচারিণী তবুও নেই মনে লাজ!
বেদনায় হতাশায় হৃদে হাহাকার!
আঁধারেতে কাটে রাত বোঝে না তো কেউ ,
বুকের পাঁজর ভাঙে একাকিনী রাতে।
যৌবন ফুরায় হায় ফেরে শূন্য হাতে,
তার কষ্ট নাহি বোঝে সাগরের ঢেউ।
সেও চায় বাঁচিবারে এই ধরা মাঝে,
শূন্য সিঁথি শ্বেত বস্ত্র অশ্রুবারি ঝরে।
বিরহে প্রিয়তমের স্মৃতিটুকু স্মরে,
অপবাদ দেয় তারে প্রাত: থেকে সাঁঝে।