সবুজ ঘাসের বুকে জমে ওঠে ফুটবল মেলা,
ইতিহাস আর ঐতিহ্যে ঘেরা এই তো শ্রেষ্ঠ খেলা!
পায়ের জাদুতে বিশ্ব কাঁপে, জাগে কোটি কোটি প্রাণ,
বিশ্বকাপের মঞ্চে ওড়ে বিজয়ী দেশের গান।
পাঁচবার জিতে ব্রাজিল আজো সবার ওপরে হাসে,
সাম্বা নৃত্যে মেতে ওঠে মাঠ, ফুটবল ভালোবেসে।
চারবার জিতেছে ইতালি আর জার্মানির সেই সেনা,
তিনবার নিয়ে আর্জেন্টিনা দেখালো তাদের চেনা।
উরুগুয়ে আর ফ্রান্সের ঘরে দুটি করে কাপ রয়,
স্পেন আর ইংল্যান্ড একবার করেছে বিশ্বজয়।
ফুটবল সম্রাট পেলে জাদুতে জিতেছেন তিনটি কাপ,
ইতিহাসের পাতায় রেখে গেছেন অনন্য এক ছাপ।
আর ম্যারাডোনা? একাই যিনি লিখেছিলেন রূপকথা,
‘ঈশ্বরের হাত’ আর একক ড্রিবলিংয়ে জুড়িয়েছেন মনের ব্যথা।
তার পায়ের জাদুতে মুগ্ধ বিশ্ব, আজও কাঁদে ফুটবল মন,
পেলে-ডিয়েগো মিলেই তো এই খেলার সিংহাসন!
লিওনেল মেসি রেকর্ডের রাজা, ফুটবলের রাজপুত্র যেন,
সবচেয়ে বেশি ম্যান অব দ্য ম্যাচ, কেউ নেই তার হেন!
দুটি গোল্ডেন বল জিতে মেসি গড়েছেন নতুন রীতি,
আর ফেনোমেনন রোনালদো দেখিয়েছেন বুট আর বলের প্রীতি।
পর্তুগিজ সিআরসেভেন (CR7)-এর গোলস্কোরিংয়ের ধার,
ফুটবল বিশ্ব কুর্ণিশ করে, তুলনা যে নেই তাঁর!
আর পোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে যখন প্রাচীর তোলেন একজন,
তিনি আর কেউ নন—’বাজপাখি’ মার্টিনেজ ভাইজান!
অসম্ভব সব সেভ করে যিনি বাঁচান দেশের মান,
টাইব্রেকারে গোল রুখে দিয়ে জিতে নেন সবার প্রাণ।
গতির রাজা এমবাপ্পে যেন চিতার চেয়েও ফাস্ট,
ডিফেন্ডারদের পেছনে ফেলে গোল করে যান লাস্ট।
ড্রিবলিংয়ে নেই কারোর জোড়া, মেসি আর নেইমার যেখানে,
বল কেড়ে নেওয়া অসম্ভব, পায়ের জাদু চলে সেখানে!
জাপান খেলে সবচেয়ে ক্লিন, কার্ড ছাড়া শান্ত মন,
খেলা শেষে গ্যালারি মুছে জেতে সবারই মন।