আ*গুনের গোলাটা যখন আমার সামনে এসে থেমে যায়, আমি যেন প্রতিবারই এই ভেবে অবাক হই যে, একটা মানুষ এত সুন্দর করে কথা বলে কী করে! ও যখন আসে আমি তা
প্রায় নিরব নিঝুম চোখে নেই ঘুম নিঃশব্দে পায়ে যাই খোলা বারান্দায় একা একা কথা বলি মনে মনে নিরব নিস্তব্ধ বহমান রাত্রির ক্ষয় কোথাও কোন জনমানুষের সারা শব্দ নেই দু চোখের
আকাশের বুকে জমেছিল যে মেঘের ঘনঘটা – হাওয়ার সংমিশ্রণে তা রং বদলায়, চোখের পলকে রং পরিবর্তন হয় ভিন্ন রূপে – মায়া জন্মে যায় মেঘের সারিবদ্ধতা দেখে – পরিতৃপ্ততা মিলে এতোটাই
দামী আসবাব দামী গাড়ী বাড়ী যেতে হবে সবই ছাড়ি মানুষকে হতে হয় ত্যাগী যাবার বেলায় তুমি ও হবে না সাথী। এই জীবন কাল সব নিয়মের বসতি
কোথায় গেল সেই সময়ের জোসনা চাঁদের আলো, বাড়ির উঠোন মধ্য বসে দারুন লাগতো ভালো। শীতল পাটি বিছানাতে গল্পগুজব করে, আড্ডা হতো গভীর রাতে মামা চাচার ঘরে। মিষ্টি রাতের শান্ত হাওয়া
অক্ষম গুণের মানুষগুলো হিংসা বিদ্বেষ করে, পরের ভালো দেখলে ওরা জ্বলে পুড়ে মরে। দেমাক ভারী স্বভাব গুণে এমন মানুষ গণে, অন্যের সফল দেখে কভু শান্তি পায় না মনে। কৌশল করে
আব্বু তুমি কেন লিখ কবিতা যে এত! এত লেখা লেখে কি বা টাকা আনবে কত? তোমার লেখা কারা পড়ে বুঝিনা যে আমি, উপহারে ঘর ভরেছো কোথায় পেলে তুমি? ছড়ায় ছড়ায়
পাঠ্য পুস্তক নিয়ম কানুন পাল্টায় বারে বার, ভাবছে তারা এসব দেখেই টনক নড়বে কার! দেশের শিক্ষায় এমন বদল মানতে রাজি নয়, কোন চক্রান্তে লিপ্ত মুসলিম শিক্ষার হচ্ছে ক্ষয়। মুসলিম ধর্মের
বেলুন নিবে রঙিন বেলুন একটি কিনে নাও, বেলুন বিচে খাবার কিনব আহার খেতে দাও। পেটটা ভরলে অনেক খুশি আর কিছু না চাই, রাস্তার মোড়ে বাজার ঘাটে বেলুন বিচি তাই। বেলুন
দিনের আলো ফুরিয়ে যাচ্ছিল। পশ্চিম আকাশে সূর্যের শেষ কিরণগুলি মিশে যাচ্ছিল গোধূলির রঙিন আলোর সাথে। ধীরে ধীরে রাতে অন্ধকার নেমে এলো, সরু রাস্তায় আমি একাই চললাম। মাঝে মাঝে খড়মড় শব্দে