এমনি এক রথের দিনের স্মৃতির বেদনাদায়ক কথা পড়লে মনে দু-চোখ ভেজে উথলে উঠে ব্যথা। ছোট্ট ছিল তখন আমার রাখী সোনা মেয়ে বায়না ছিল খেলনা কিনবে রথের মেলায় গিয়ে। বারবার সে
প্রেমিক হতে চেয়েছিলাম- হতে পারিনি তবে শিখেছি ভালোবাসার নিখাদ বিনম্রতা। বলেছিলে ভালোবাসার পরীক্ষায় যদি উত্তীর্ণ হতে পারি যদি তোমার প্রশ্নের উত্তরে গড়তে পারি পবিত্র বিশ্বাস। প্রেমিক হয়ে কাটাতে পারবো অবশিষ্ট
সে আমায় বলেছিল – সে আমার কবিতা হবে! ছন্দে ছন্দে বুনে যাবে কথার জামদানি, শব্দেরা খেলা করবে শব্দের বুকে! সে আমায় বলেছিল – সে আমার কপালের টিপ হবে! গাঢ় চুম্বনের
রাত এসে কয় কানে কানে ঘুম আসে না তোর, স্বপ্ন দেখিস রোম্যান্টিক আর বাড়াস মনের জোর । বাড়াস মনে তৃষ্ণা প্রেমের তার কাটে না ঘোর, মনের জ্বালা কেমনে মিটাস প্রিয়র
নন্দিত আবীরে প্রাণবন্যার বাঁধনহীন ঝংকার সপ্ত সাগরের উদ্দাম ঢেউমালা, নৃত্যমুদ্রার তাল লয় ভোরের বাতাসে রোদের ঘ্রাণ,অলিন্দে চঞ্চল চড়ুই দম্পতি আবেগ উচ্ছ্বাস,আপন ভাষায় প্রেমশৈলি তানপুরাতে রহস্য লহরী সুরের মায়াবী আবেশ ডাহুক
রিদম সুরে বাজনা বাজে কাব্য সুরের বাণী, কাঁচা মাটির টিনের চালে দারুন শব্দ ধ্বনি্। টিনের ছাদে বৃষ্টি পড়ে ঝন ঝনা ঝন শব্দ, বৃষ্টির দিনে চিড়া, মুড়ি সবাই তাতে জব্দ। পাকা
পেনশনভোগী জীবন যেন যাবে ভালো মোর, দিনগুলো যে কাটবে ভালো দেহে পাবো জোর। সেই ভাবনায় ভাবতে তবে লাগতো ভালো বেশ, কেনো তবে পেনশন পেতে জীবন হচ্ছে শেষ। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে
লাল সবুজের ছড়া পত্র ছড়ায় ছড়ায় কথা, মুখরিত ছড়া পাতা লিখছে দারুন যথা। ছড়াকারের বর্ষা বইছে কলম কথা বলে, নানান রকম হাতের ছোঁয়ায় কলম কালি চলে। পাতায় পাতায় রঙিন কাগজ
সদ্যবিধবা মল্লিকা হারায়েছে পতি, চারিদিকে লোভাতুর হায়েনার দৃষ্টি! অস্তিত্বহীন জীবন বিধাতার সৃষ্টি, আপনারে বাঁচাবারে কেঁদে ফিরে সতী। অপয়া অলক্ষ্মী বলে গাল পাড়ে লোকে! জীবন সঙ্কটে তার প্রাণ বুঝি যায়! বিপন্ন
বৃষ্টি হচ্ছে ঝড় প্রভা কুয়াশাতে হানা, বর্ষা নিঝুম আষাঢ় কালে বাহির যেতে মানা। বজ্রপাতে শিলা বৃষ্টি সাদাকালো রবি, মুষলধারে পরছে সদা ঝাপসা কাঁচের ছবি। প্রজননের নতুন শপথ রহমতের বৃষ্টি, চলো