বর্ষায় বইছে মিষ্টি হাওয়া আষাঢ় মাসের কালে, সুভাষ ছড়ায় সাদা হলুদ কদম ফুলের ডালে। গন্ধ ছড়ায় সকাল বিকাল বাতাস বহে দিলে, টুপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে আমার বাড়ির ঝিলে। বৃষ্টি ভেজা
নিজেকে জানো,নিজেকে মানো, নিজেকে দাও সময়, বুঝে নিও–দিন শেষে কেউ কারো নয়, একথা কবি নিরানন্দ কয়। এতই কি সহজ নিজেকে জানা, জানলেও কি তা কবু হয় যে মানা? কেউ কি
আষাঢ় এসেছে তার রুপ নিয়া, সকাল থেকে নিভু নিভু করে যে দিয়া, চারিদিকে ফুটেছে কদম আর কেয়া। তপ্ত ধরনী হলো সতেজ, প্রকৃতিতে তাই খুশির আমেজ। ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গেছে
ক’দিন ধরেই চলছিলো রৌদ্র ছায়ার মিছিল, জৈষ্ঠ্যের কাঠফাটা রোদে কাকেদের হাহাকার শুনেছি; অভিমানে মুখ লুকিয়েছে চাতক পাখির দল। এমনই সময় আষাঢ়ের আগমনী বার্তা নিয়ে চারিদিকে তুললো সোরগোল । প্রকৃতির অমোঘ
মন জয় করতে প্রোয়োজন ভালোবাসা যে ভালোবাসায় থাকবে শুধু শুদ্ধু আশা। যেখানে নেই ভালোবাসা সেখানে কিসের আয়োজন যেখানে নেই কোন আশা তা হলে এই ঘরে বসত করার কি প্রয়োজন? যদি
আমার একটা তুমি চাই যে তুমিটা আমাকে সবসময় বুজবে আমার হাসি-কান্নার সাথী হবে। আমার একটা তুমি চাই যে তুমিটা আমার – মান-অভিমান বুজবে সুখ-দুখে কাছে টানবে আর আমাকে শক্ত করে
আচ্ছা, আমার চোখে চোখ রাখলে তোমার মনের ভিতর কি তোলপাড় শুরু হয়ে যায়? ভিতরে ভিতরে কি জড়িয়ে ধরে বুকের সাথে মিশে থাকতে ইচ্ছে করে? কালবৈশাখী ঝড় কি তোমার মন পিঞ্জিরায়
নীলাদ্রির বিষ কেমন অসহনীয় হয় তা হয়তো তোমার জানা ছিলনা প্রিয়! তাই মজার ছলে আমায় দিয়ে দিলে, সেই বিষ যখন আমায় নীল করে অবশ করতে থাকলো, তখনও তুমি হাসতে হাসতে
অকৃতজ্ঞ মানুষ মোরা, দেহ মন জুড়ে অকৃতজ্ঞতায় ভরা। প্রতিনিয়ত গ্রহণ করি তাঁর অজস্র নিয়ামত, খামখেয়ালী করে আদায় করি না সালাত। যতোই করছি মোরা বাহ্যিক ইবাদত, কভু ছাড় দিবেন না তিনি
বিত্ত নিয়ে করছো বড়াই ক্যান হে বিত্ত-বান? ঘুষ নিবেনা আজরাইল সে নিবে তোমার জান। কিসের তরে ধরার পরে অসৎ পথে চলো, মুখোশ পড়ে- বিনয় স্বরে মিছে কেনো বলো? পাপ ছুঁড়িতে