আঁখিতে যে নেশা ভর করেছে তা কি সহজে কাটবে? শ্যাম ভ্রমর, দেব ভ্রমর, জাত ভ্রমর, বহুরুপী ভ্রমর – মধুর আশায় গুঞ্জন করছে তাদের আশা কি মিটবে? এতো এতো ভ্রমর করছে
মন চাই স্বাধীনতার সুখ হারিয়ে ফেলতে চাই জীবনে আছে যতো দুঃখ, মৌমাছি হয়ে দেখতে চাই সকল ফুলের মুখ মধু গ্রহণ করতে হবে পেতে প্রশান্তির সুখ। কে বন্ধু হলো বা কে
হঠাৎ করে মনে কেন ভাবনা এত জাগে? তোমায় একটু ছুঁয়ে দেখি হারিয়ে যাবার আগে, তোমায় নিয়ে ভাবতে আমার অনেক ভালো লাগে। প্রথম যেদিন হয়েছিল তোমার আমার দেখা, সেদিন আমি ভাবিনি
শত বছর পিছনে যাই কবরে যাদের বাড়ি। মাটির সাথে মিশে গেছে ছেলে মেয়ে ছাড়ি। নেই ওঁরা কারোর মনে সবাই গেছে ভুলে। লালন পালন করেছে, যাদের নিয়ে কোলে। কিসে এতো রং
ভেবে দেখলাম, মনে পড়েনা তেমন, এবং সূত্রেও খুব একটা নেই, যৌক্তিক ভাবনাতেও মেলেনা, তোমাকে ঘাস ফুলের পাশে কখনও দেখিনি। দেখিনি তোমার মত কোন কুসুম কোন গহীন কোন অরণ্যে, খাড়া উচুতে
রাতে ঘুমাতে গিয়ে স্ত্রী বললো আগামীকাল রান্না করার মতো চাল ডাল কিছুই নেই। স্ত্রীর কথা শুনে বললাম চিন্তা করবেনা আল্লাহ এক ব্যবস্থা করে দিবেন। সে বললো, সেটা বুঝলাম কিন্তু তার
প্রিয় সেই নীল রঙ্গের শাড়িটি আর ছুঁয়ে দেখা হয়না ছুঁয়ে দেখা হয়না নীল সমুদ্রের চেয়ে থাকা নীল নয়না। বদলে গেছে চাওয়া পাওয়ার আকুতি কখন যেনো নিজেদের অজান্তে তাইতো নেই সেই
হঠাৎ করে মনের আকাশটা মেঘলা হয়ে উঠেছিল, তুষার পাতের মতো দুটি চোখের পাতা ঝাপসা হয়ে আসছিল মূহুর্তের মধ্যে। মনের আঙিনায় ভিজে গিয়ে ছিল কালো মেঘের বজ্রপাতে,জ্বলসে উঠে ছিল দুটি চোখ
মেয়ে – তোমার চোখে চোখ রেখে দেখেছি ভালোবাসার ভিন্ন আবীর- এ যেনো ভালোবাসার অনুভূতির এক মহা স্বর্গের কথা প্রকাশিত হয় মন আলোকে, আমি নয়ন পাতে দৃষ্টি রেখে নিজেকে হারাই –
ভালোবেসে অনেকে হয় মনে প্রাণে তুষ্ট ভালোবাসা সবার জন্য হোক রে তবে সুষ্ঠ! ভালোবাসার লক্ষ্য হয়ে থাকে যদি ভ্রষ্ট ভালোবাসায় বাড়ে তবে কারো কারো কষ্ট। ভালোবেসে কেহ কেহ হয়ে যায়