নামটি তার লুৎফর রহমান লাতু সরকার পাঁচ পুংগলী বাড়ি, রিয়াজ উদ্দীন সরকারের দ্বিতীয় সন্তান বুদ্ধিমত্তা উনি। বিবেক আর আত্ম সংযমে গুণান্বিত তিনি, সুনাগরিক সমাজ সেবক, সহজ সরল প্রতি। উচ্চ বংশের
জগৎপিতা একজন শুধু স্বীকার করে মানব জাতি। গ্রন্হ তাহার আল কোরআন অবিশ্বাসের নেই গতি। ছাদ আসমান বিছান মাটি বলেন প্রভু আল কোরআনে। বিধান যতো গ্রন্হে তাহার যাতে মানুষ মানে। বিধান
শীতের রোদ বড় তৃপ্ত হয় মন তেমনই একমুঠ সুখ রোদ পেলে – বিলিয়ে দেই ভাগ করে নেই অনেকের সাথে কারণ- আনন্দ যত ভাগ করা হয় ততই আনন্দ বাড়ে। অসুখের মত
আজ আমি একটু চঞ্চল একটু বেখেয়ালী মনে হয় পথ ও বেঁকে চলি একটু বেশি বধির.. খামখেয়ালী নিশ্চুপ দিগন্ত তবে ধুমড়ে মুচরে পড়ে এইতো বিকেল শেষে সন্ধা গড়িয়ে আধাঁর নামে টুপ
গতকাল শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে শেরপুর গাঙচিল কার্যালয় শীতকালীন সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন — কবি , সাংবাদিক রফিক মজিদ সভাপতি, গাঙচিল শেরপুর জেলা শাখা। প্রধান অতিথি — মননশীল
গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মদিন উপলক্ষে কবি সংসদ বাংলাদেশ আয়োজন করে ৩৯২ তম মাসিক সাহিত্য সভায় কবি জসীমউদ্দীন কবিতা সন্ধ্যা। কেন্দ্রীয় সভাপতি কবি ও মিডিয়া
নষ্ট চোখে অন্তর লোকে দেখোনা সুখের শহর বহুদূর তাহা খুঁজে পাবেনা বন্ধ করেছি দোর! অন্তরে কালিমা মুছিলে হতেও পারি সহায়তা দিতেও পারি দোর খুলে যেয়োনা কবিতা ভুলে! কেনো করো এত
জলকে জল বলতেই ভালোবাসি আমি, পিচ ঢালা পথের মতই মসৃণ আমার ভাবনার প্রান্তর। কখনও জমির আলপথে চলি প্রয়োজনে খুব সাবধানে পা ফেলি, যেনো পিছলে না পরি পা যেনো মচকে না
যে তুমি নবীর মিরাজকে বিশ্বাস করো না সে তুমি কি করে মেঘকে মুঠোবন্দী করার স্বপ্ন দেখো। যে না দেখে, বিশ্বাস করে বাতাসকে বন্দী করা যায়, সে কি উর্ধগমনকে অস্বীকার করতে
আমি যদি বৃক্ষ হইতাম ছায়া দিতাম তোরে, বৃষ্টি হতে আগলে রাখতাম আলো দিতাম ভোরে। আমি যদি পাখি হইতাম গান শুনাইতাম তোরে, ভালোবাসার ডানায় পুরে যাইতাম নিয়ে উড়ে। আমি যদি রাত্রি