আজকে আমার ভীষণ মন খারাপ যেন ভেসে এল অমাবস্যার রাত চুপটি মেরে বসে থাকবো নির্জনে। আর কখনো বের হব না, কব না কথা কারো সাথে, পণ করেছি নিজেকে নিজে। কি
চাল-ডাল-চিনির দাম শুধু বাড়ছে। পেটে লাথি মারছে গরীবেরা মরছে। ত্রাণের কী জরিপ? ভাতে মরছে গরীব! গরীবেরা কাঁদছে, বার বার হারছে। মান গেল তাতে কী? ছবি দেখাবে টিভিত। মানবতা নামে শুধুই ছবি তুলা
তোমার কপালের লাল টিপ, মাথার বেণীমাধব,মায়াবী চোখ, দেখে জুড়ায় তৃষ্ণার্ত বুক। আমি রোজ স্বপ্ন দেখি, তোমাকে একটি গোলাপ দেবো। অথচ কি ভাগ্য আমার? শূন্য জীবনে পূর্ণতার গল্প রচিবো বলেই, একদিন
এইচ এম শাহরিয়ার কবির: ২৫.০৪.২০১৫ রোজ শুক্রবার ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁওয়ে অবস্থিত ব্রক্ষপুত্র নদের তীরে মিডিয়া পার্কে অনুষ্ঠিত হয় ধর্ম, সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারমূলক জাতীয় বাংলা পত্রিকা মাসিক আল মুনাদীর ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
বৃষ্টি তুমি কি নিয়ে যাবে আমায় নিয়ে যাবে স্বপ্নের ডানায় ভেসে ভেসে , নীলগিরি ছুঁয়ে অসীমের বুকে মিরিঞ্জা পাহাড়ে! যেখানে একেবেঁকে চলেছে নদী মাতামুহুরি প্রবল উচ্ছাসে উত্তাল ঢেউয়ে বঙ্গোপসাগরে ।
স্বপ্নগুলো নিরবে অশ্রু ঝরায় বেদনার নীল কাব্য নিরাশার বানী শোনায়। প্রতিটা মুহূর্ত একেকটি বছর মনে হয় সুখের প্রত্যাশায় দুঃখগুলো ভাষা খুঁজে পায়। তবু রেখে যায় কিছু অন্ততহীন প্রত্যাশা এক দিন
ঘুমন্তের স্বপ্নপ্রসূতই হোক ——-বিড়বিড় করে তোমায় ডেকে যাই! সমুখ দরজা ভেড়ানো ল্যাঙ্গলেটকে টেলে মিছেই বাতিঘরের আড়ালে থাকি কেননা আমি দক্ষিণা বাতাস বিমুখ! মাটির খোঁয়াড়ে জন্ম আমার ——–তোমাকে চাওয়াও বিরল বিলাসিতা
তোমাকে খুব ভালোবাসতে ইচ্ছে করে কিন্ত কি করে ভালোবাসবো? তুমি তো আমার হাতের নাগালের বাইরে। আমার হৃদয়ের মাঝে জায়গা করে নিয়েছ আষ্টেপৃষ্টে কিছুতেই তোমাকে সরাতে পারিনা ভুলতে পারিনা বলে জীবন
ভালোবাসার আলপনা একে দিলাম তোমার ঠোঁটে, চোখে,মুখে তোমার পুরো হৃদয় জুড়ে তোমাকে তাকিয়ে দেখব জনম জনম ধরে। ভালোবাসার আলপনা একে দিলাম তুমি যে রাস্তা দিয়ে হেটে যাও তার চারিপাশে যা
মায়ের মুচকি হাসি ঈদের চাঁদের মতো মা তোমায় ভালোবাসি বুঝাবো তা কতো, ঈদের চাঁদতো আসে মা বছর ঘুরে ঘুরে তুমিতো মা সেই করে গেলে এলেনা আর ফিরে। ঈদের দিনে জড়িয়ে