মনের ভিতর জমা আছে কষ্টের শতো ঢেউ চলছে সদা নিরবধি জানেনাতো কেউ। কষ্টগুলো হৃদয়ে ভরা তবু হাসি মুখে কষ্টগুলো দেখা যায়না লুকিয়া রাখা বুকে। মনের ভিতর কষ্টের ঢেউ বুঝেনাতো কেউ।।
গভীর রাতে ধূধূ মাঠের মধ্যে একলা ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে কদম ফুলের গাছটি, গাছটির শরীরের উপর পিছলে যাচ্ছে রাতের জোছনা বৃষ্টি, তারার আলোর মালাপরা রাত্রি, দূরের ছায়াচ্ছন্ন গ্রাম নিদ্রার আয়োজনে ব্যস্ত,
একটি পরিচিত কবি মুখ আগামীতে নয় যেন নববর্ষে পহেলা বৈশাখে দরশন হয়; নববর্ষে বৈশাখী শাড়ী ও হাতে চুরি পরে কোনো কবি যদি ছবি ফেইসবুকে ছাড়ে তবে মনোযোগ সহকারে দেখে কবিরে
উদাসী দুপুর, পড়ন্ত বেলায় স্বর্ণালি সুখের ছোঁয়ায় অনুভবে তুমি। এক মুঠো ভালোবাসায় ডুবন্ত প্রেম ভেজা চুলের স্নিগ্ধ মায়ায় অবছায়া হয়ে আনমনে হাত বাড়াও কে তুমি? আয়নায় তাকাতেই লাজুক বদন খানি
ফিলিস্তিনি শহীদ হচ্ছে গাজায় লাশের তরী, আমরা খাচ্ছি পান্তা ইলিশ বৈশাখ পালন করি। সবাই আছি রঙ্গমঞ্চে বেতাল হয়ে নাচে! বোমার হামলা গুলি নিয়ে যারা বেঁচে আছে। অপচয় করি শত কোটি
আমি যে এক মাইয়্যা মানুষ এই যে আমার দোষ, এদিক সেদিক হইলেই কিছু ক্যান করে সব ফোঁস। উনুন ঘরে- পইড়া থাকা গর্ভে ধরার “মাহ্”-, মাইয়্যা বইলা সেউ মা মোরে কিঞ্চিৎ
যেই ছবিতে জগৎ আঁকা তোমার মুখের হাসি সেই ছবিটা দেখি যেই ছবিটা বোধের ভাষা প্রেমের বর্ণ-লিপি ঐ ছবিটা আঁকি যেই ছবিতে আগুন লিখে প্রেমের প্রমিথিউস কাতর যন্ত্রণায়— পাথর আঁকে ছেঁড়া
এই শহরটা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। অভাব আর দরিদ্রতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। বড়ই আজব শহর— বড়ই রঙিন, আবার বড়ই নির্জন। শত লোকের ভিড়ে থেকেও, একা হয়ে যাওয়া যায় এখানে। চেনা
মুখার্জীদের বাড়ি এই অঞ্চলে জমিদার বাড়ি হিসেবে বিশেষ বিখ্যাত। ইদানিংকালে জমিদারি না থাকলেও, এই প্রাচীন বাড়িটি দেখবার জন্য বাইরে থেকে অনেকেই উৎসাহী হয়ে আসেন। বিরাট দর দালান, পূজো মন্ডপ, বড়
আমার সাজানো-গোছানো বাগান তোমার জন্য রেখেছিলাম উম্মুক্ত, তুমি যখন ফুল নিতে আসতে আমি ফুলদের বলে দিতাম, যাও তোমরা আমার হয়ে সুবাস ছড়াও তাঁর আঙ্গিনা ও গৃহের কোণে কোণে। তোমার হাতের