কল্পনার তুলিতে এঁকেছি তোমায় যতনে রেখেছি আপন হিয়ায় স্নিগ্ধ মধুময় মুসলিন ছায়া তৃপ্তির শিহরণ আপলোক মায়া। ঘরেতে মোর মন বসে না ঘুরিতে চায় ব্যাকুল প্রান উকি ঝুঁকি দিয়ে খোঁজাখুঁজি শত
হারতে রাজি ধরলে বাজি বন্ধু তোমার কাছে এই ভূবনে তুমি ছাড়া কে আর বলো আছে! দিনের পরে দিন আসে যায় রাতের পরে রাত চাই না কিছু এই জীবনে চাই না
স্বপ্ন এসেছিল অনাদি চোখের সামনে আর্ত হৃদয়ে ফুটে উঠেছিল স্বপ্নের শৈলমালা অভিমানী নিয়তি পিছু ছাড়েনি সময়ের সাথে বদলে যায় নিয়ম বদলে যায় হাওয়ায় হাওয়ায় ভেসে আসা পিরামিডের মতো উচ্চতার অনুভূতি।
নরম দুর্বা ঘাসে মোড়ানো গ্রামের মেঠোপথে নাঙ্গা পায়ে দাবড়িয়ে বেড়ানোর সেই সুখ স্মৃতি মনের গহীনে আজও দোলা দিয়ে যায়। আশ্বিনের শেষে ভোরের মৃদুমন্দ বাতাসের সাথে মুক্তার মতো কুয়াশাজড়ানো গুল্মলতাগুলো আষ্টেপৃষ্টে
রাতে একজন আত্মীয় ফোন করে বললেন তাদের বাড়ি যেতে পারবো কিনা, কারণ জানতে চাইলে বললেন। তার ছোট ভাই অসুস্থ, তাকে একটু দেখতে হবে। বললাম ডাক্তার দেখান। দেখিয়েছি, অনেক পরীক্ষা নিরিক্ষার
রাতে ঘুমাতে গিয়ে স্ত্রী বললো আগামীকাল রান্না করার মতো চাল ডাল কিছুই নেই। স্ত্রীর কথা শুনে বললাম চিন্তা করবেনা আল্লাহ এক ব্যবস্থা করে দিবেন। সে বললো, সেটা বুঝলাম কিন্তু তার
বসন্তে মোর মন জ্বলে বিরহে, অজস্র বিফল বসন্ত ফেলে এসেছি , নিষ্ফলা বসন্ত আমারও দুয়ারে কেনো আসে বারেবারে, বিরহের আগুনে কাঁদাতে অশান্ত অন্তরে? বহুদিন বহু মাস কতো যে বছর পেরিয়ে
নদীর ন্যায় সংকুচিত হচ্ছে মানুষের মনুষ্যত্ব মিথ্যার দাবানল ছড়িয়ে যাচ্ছে দিকে। প্রগাঢ় মমতা লোপে নিচ্ছে বিষাক্ত সব কীট মুখোশের বিমূর্ততায় নিজেকে ঢেকে। সোডিয়ামের আলোয় কাতরাচ্ছে অবুঝ শিশু একমুঠো দানাপানির নিদারুণ
কোকিলের কুহুতানে মুখরিত বাতাস! বসন্তের স্পর্শে ফুলে ফুলে সেজেছে আজ, আমার ছাদ বাগান! তাই ফুলের সুবাসে মনটা বেশ উতলা। ফাগুনের আনন্দে মনে জেগেছে প্রেম! তাকে কাছে পাওয়ার তৃষ্ণায়, আজ হৃদয়ের
নিঃসন্দেহে প্রেম সুন্দর! তবে সেই প্রেমের মদিরতা নষ্ট করেছে কিছু মাংসাশী মানুষ! যা কলুষিত করছে পবিত্র প্রেম। বিচ্ছেদ হলেই একজন অন্যজনের নামে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে অনারবত! ধীরে ধীরে বিশ্বাস হারাচ্ছে!