সবুজ ছায়া পেতে হলে, শুদ্ধ বাতাস পেতে হলে, সুস্থ জীবন পেতে হলে, অবশ্যই গাছ লাগা চাই। বৃক্ষরোপণ করবো সবাই, ভালো রাখবো পরিবেশ। দূষণ মুক্ত রাখবো সবাই,
দুষ্টু ইঁদুর দুষ্টু ইঁদুর চঞ্চলতা ভারি, ক্ষুদ্র তাহার জীবন গতি গর্তে বসতবাড়ি। তীক্ষ্ণ বাহার দাঁতের মাড়ি কেটে কুচি কুচি, যেটা পাবে সেটা খাবে বড্ড তাদের রুচি। বীর সেনানির মত করে
বন্যার পানি নামছে এবার যুদ্ধ হয়নি শেষ, ঘরের ভিতর সর্প রাজা করছে সমাবেশ। কীটপতঙ্গের আনাগোনা রোগের বসতবাড়ি, বন্যায় সবই নিঃস্ব করে ধ্বংসলীলা তারই। আসবা পত্র পচে গেছে স্বপ্ন গেছে মোরে!
টুকরো টুকরো কাচের খন্ড অলংকারের সাজে চকচক করে রংধনু তে সুন্দরীদের মাঝে। হারের বালা, চুড়ির দুলে টিকলি, বিছার, পায়েল অলংকারে অঙ্গ তাহার মন করেছে ঘায়েল। আংটি, ঘড়ি, চেইন, ক্লিপে পরলে
রাতের শেষ ট্রেন ফিরে গেছে। আজ আর বাড়ি ফেরা হলো না মৌলিনাথের। নির্জন ফাঁকা স্টেশন। শেডের নিচে কয়েকজন ভিখারী শুয়ে আছে। দূরে শুয়ে আছে কয়েকটি ক্লান্ত কুকুর। ব্যাগ থেকে কয়েকটা
সাদা ডানায় মন্দ্রিত উড়ন্ত পাখির মতো স্বপ্নভূক রাতের আকাশে যখন চাঁদের শরীরে ঢলোঢলো যৌবন। খোলা চুল সাদা মেঘের দিকে স্থির চোখ মেলে চেয়ে থাকে পাহাড় নদীর দীর্ঘ শাড়ি নিদ্রাহীন অভিসার।
কতো কবিতা প্রতিদিন চারিপাশে রচিত হয় তবুও আমি কবিতা বুঝি না পড়ি না ভাবি না কবির কথা! যখন আমি প্রাইমারিতে পড়ি,মা’ ইস্কুলে নিয়ে যেতো বই ভর্তি ব্যাগটা কাঁধে চলেছে মোর
আমাদের এ মিছিল নিকট অতীত থেকে অনন্তকালের দিকে আমরা বদর থেকে ওহুদ হয়ে এখানে, শত সংঘাতের মধ্যে এ কাফেলায় এসে দাঁড়িয়েছি। কে প্রশ্ন করে আমরা কোথায় যাবো ? আমরা তো
নিয়ম মেনে চলবো সবে থাকবে ভালো বঙ্গ, পরিষ্কার আর পরিপাটি ঈমানের ওই অঙ্গ। সবাই যদি সজাগ থাকি নির্মল হবে বায়ু, দূষণ মুক্ত বায়ুর মাঝেই বাড়বে তবে আয়ু। ময়লা বর্জ্য ফেলার
আমাকে কি নিবে না? যাচ্ছি বন্যায় ভেসে! সবাই সবার জীবন নিয়ে ছুটছে দূর দেশে। কুকুর বিড়াল, গরু ছাগল হাঁস মুরগি যত! বেঁচে থাকার ইচ্ছে আছে শীতে কাঁপছে গত। অবুঝ প্রাণীর