অলিখিত সার্টিফিকেটে প্রিয় ডাকনাম ভালোবাসার এক অন্যরকম রূপ বুকের গহীনে খোদাই চিত্রায়ণ, ভালোবাসার মুকুটে অহংকারের পালক, দুই আত্মার একনাম আদরের চাঁদর মুছে ফেলা বারণ এ জন্মে আমরণ। নক্ষত্রের আলো ছেদ
দশটি বছর পূরণ হল কত সময় দিলাম, ঝড় তুফানের বাধা ভেঙ্গে বন্ধু মোরা ছিলাম। কত স্বজন চলে গেছে হাসি-কান্নার মাঝে! বন্ধু কলিগ পরিচয়ে স্মৃতির ধ্বনি বাজে। দশটি বছর পূর্ণ হলো
সেই দিনগুলো কতো ভালো ছিলো ছিলাম সব একসাথে, ডালভাত ভর্তা হলেও পড়তো সবার এক
তোমাদের কাছে চাইনি ক্ষমতা চাইনি কখনো টাকাকড়ি, তোমাদের কাছে চাইনি কখনো মোদের দাও বাড়ি গাড়ি। তোমাদের কাছে চাইনি তোমাদের ঘর হতে অন্ন-বস্র দাও এও চাইনি কখনও আমাদের কাজের ব্যবস্থা করে
এক মুঠো অলস দুপুর হলোনা আমার হলোনা গোধূলি বিকেল বকুল ঝরা সন্ধ্যা , আঁধার জীবনে হলোনা কোনো পাওয়া জানিনা আমার ভালোবাসা কেনো বন্ধা! চন্দ্রিমা রাতে প্রিয়ের কাঁধে মাথা রেখে পাশাপাশি
রাজারহাট-কুড়িগ্রাম। পূজার খুশি রাশি রাশি বাজবে সুখের বাজনা বাঁশি। খোকাবাবু খুশিতে নাচে বাহ!তা ধিন ধিন। খোকাবাবু গাইছে গান ধরছে বায়না ঘুরবে মেলা কিনবে গাড়ি, হাতি ঘোড়া খাইবে সন্দেশ,মিষ্টি গোল্লা। একটা গাড়ি হবেনা খোকার কিনবে জিনিস মেলা মেলা। বন্ধুদের নিয়ে করবে মেলা,
পৃথিবীতে মানুষ বড় অসহায়! জন্মের পরে বেশীরভাগ প্রাণীর বাচ্চারা নিজের শক্তিতে হাঁটতে, খেতে এবং বিপদ থেকে আত্মরক্ষার কলাকৌশল রপ্ত করতে পারেন। কিন্তু, মানুষের বাচ্চা কিছুতে’ই নিজের শক্তিতে করতে পারেন না।
রাজ্যে ভাণ্ডার স্বল্প সময় দিচ্ছে উজাড় করে, নিবে কেউ বা আঁচল পেতে কেউ বা ধামা ভরে। সেই ভাবনায় রাজা মশাই ভাবে আপন মনে, খবর পেলে রাজ-দরবারে আসবে জনে জনে। রাজ
কাজল কালো চোখের মায়ায় কাছে এসেছি পাগল করা হাসিতে মাতাল হয়েছি, মুগ্ধ করা রূপের ছটায় থমকে গিয়েছি, মননের সৌন্দর্যের আকুলতায় ডুব দিয়েছি আমি প্রেমে পড়েছি, হ্যাঁ তোমাতে মিশেছি। শত সহস্রবার
স্রোতে ভাসে জীবন নায়ে ঘোলাট মাখা জলে! পালতলা ওই কাঠের তরী পূর্ব দিশায় চলে। আকাশ ভারী বর্ষা রাজি হাল ধরেছে শক্ত, জোয়ার ভাটার ওই খেলাতে মাঝি মাল্লা ভক্ত। নদীর শেষটা