কুসুম কৌমার্য প্রেম ছিল,প্রেম ছিল নদীজলে,প্রেম-পুকুরের তলদেশে মুয়াজ্জিনের আযানের সুরে,ইট কাঠ পাথর ধূলিকণায়। জন্মসূত্র প্রেম আমার,কাঁটা মান্দারের ফুলে আঙুলের ছাপ ফুল তোলা সহজ নয়, রক্তাক্ত হয়ে ফিরেছি তবু প্রেম দিয়েছি
পঁচাকে ভাবেন পচা, খাসাকে বানাচ্ছেন খাঁচা। আপনি যা নন, তা কেন হতে চান? একজন বলেন স্যার লেখেন, বললাম আমি নাইট উপাধি পেলেন কখন? আরেকজন বলেন আপনি কী আমার খবর রাখেন?
জীবনের স্বরূপ স্রোতের অভিরূপ, বর্ণিল রঙে কখনো আনন্দধামে মাতে,কখনো বর্ণহীন সাদা কাগজের নৌকায় ভাসে– জীবন আগামী সময়ের অলিখিত বন্ধনে সঙ্গী হয় সঙ্গত বৃত্তে নানাবিদ শোভন-অশোভন নিত্য পরিক্রমার ছাউনিতে- পর্যালোচনায় একটি
জন্মেছিলে বলে ভবে তুমি কর্মের স্বাক্ষর রাখতে পেরেছিলে তোমার কর্ম তাই করেছে তোমাকে ইতিহাস আমরাও পেরেছি জানতে তোমায় তুমি সৈয়দ মীর জাফর আলী খাঁন হতে হয়েছো একদম সাচ্চা নাম মি.
বৃষ্টি ভেজা রাতের শহর,নীরব চৌদিক– নরম স্বরে আলাপণ মেঘের দ্বীপে, শুনশান নিঃশব্দ খেয়ায় ঢালে বিরহের জল মমতাময়ী আঁধার বিস্ময় চোখে তাকিয়ে দেখে। বৃষ্টি তোমাকে বলছি মান করো না– ভালোবাসার পল্লব
প্রিয়তম তুমি কি আমার হবে? আমি তোমাকে এক আকাশ ভালোবাসা দিব। প্রিয়তম তুমি কি আমার হবে? আমি তোমাকে সুর্য্যের, আলোর মত ভালোবাসা দিব। প্রিয়তম তুমি কি আমার হবে? আমি তোমাকে
সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ঝরায়ে শ্রমিক রোজগার করে বেঁচে থাকার জন্যে, এভাবে কেটে যায় দিন মাস,বছর কষ্টকে লালন করে ওদের দৈনিক জীবনযাত্রার তেমন উন্নতি হয়না শিশুরা কাজে নামে অভাবে.. আগামী
অনেক ভালো যদি তুমি বলো বাঙালী, তোমায় নিয়ে বাংলার গান গাবো, যদি তুমি বলো ; অনেক ভালো যদি তুমি বলো বাঙালী ।। তুমি জাম লিচু জামরুল আনারস পেয়ারা কাঠাল আমলকী
তুমি অপ্সরা তুমি হরিণীর মত চঞ্চলা তোমায় দেখলে মায়ার বাঁধনে মোথিত হই। অবনীর বুকে যেন একটি গোলাপ ফুল। মোহনীয় সুরভে মন মুগ্ধতায় আকুল । সমস্ত রূপের শ্রেষ্ঠ বাহার নেই কোন
চারদিকে হিমেল কুয়াশার আবরণ, বিজন অন্ধকারে স্থির দাঁড়িয়ে আছে নারকেল গাছের মাথা, বাতাসে হিম পতনের শব্দ, গাছের পাতায় ভেজা শিশির পতনের মৃদুল আওয়াজ, ঘুম আসছে না কিছুতেই, জানালার ওপারে বসে