আষাঢ় শ্রাবণে বাদল নিয়ে ফুটলো কদম ডালে জুঁই মালতী বকুল ফুটে ময়ুর পেখম তুলে। নদীর বুকে পাল তোলা নাও চলছে সারি সারি মাঝে মাঝে সুর্যি মামা খেলছে লুকোচুরি। মিঠা পানির
তুমি কখনো পুরনো হবে’না প্রিয়! আমি তোমাকে প্রতিদিন নতুন করে ভালোবাসবো! আগলে রাখবো বাহুডোরে। ভালোবাসার স্বপ্ন কতইনা রঙিন! পিপাসিত মন ছটফট করে, তোমার সান্নিধ্য পেতে; মনের এই ব্যাকুলতাই আমার প্রেম।
বাজেট মানে হয়না যেনো গরিব মারার ফাঁদ, কৃষক শ্রমিক মাথায় রেখো যায়না যেনো বাদ। বাজেট নিয়ে ভাবনা কতো কেমন বাজেট হবে, জিনিসপত্রের দাম বাড়িলে মহা মুশকিল তবে। বাজেট মানে আয়ও
হলুদ কাঁচা আলতা মাখা দুধে মালাই গড়ন, হাতটি তাহার শিউলি ডগা কালো কেশের বরণ। সুন্দরী বউ আলোকিত তুলোর মতন মনটি, মুচকি হাসির শরাব পিলায় ব্যস্ত তাহার দিনটি। সূর্যকিরণ লমহ বাহার
রাসুল প্রেমে মন উতলা গভীর রাতে কাঁদে, নবীর রওজা সালাম দিতে আশেক হৃদয় সাধে। রাসুল প্রেমের আশেক গণে চল মদিনার টানে, মদিনার ওই খুশবু বাতাস হৃদয় শান্তি আনে। রাসুলের ওই
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল তীব্র শীতের রাতে পথিক ছিলেন দূরের পথের কেউ ছিলোনা সাথে । ক্লান্ত হয়ে শরীর গেলেন মসজিদের ও মাঝে কাটবে হেথা রাতটি আজি ভাবনা সকাল কাজে ।
ভালো আছি, অনেক ভালো আছি নিজস্ব ব্যক্তিসত্বায়, প্রফুল্লচিত্তে আমার সাহিত্য বলয়ে,সাচ্ছন্দ্যে আছি আমি এখন ভালো থাকতে শিখে গেছি। স্মৃতির বেদনা আর আমাকে স্পর্শ করে না ব্যস্ত শহরে দ্বিধাহীন ব্যথাগুলোকে নির্বাসন
চব্বিশে মে জন্ম তোমার ওগো দুখু মিয়া, মানবতা সাম্যবাদে ভরালে যে হিয়া। কোকঁড়ানো কেশ পাঞ্জাবি বেশ রূপ লাবণ্যে ভরা, বিদ্রোহী গান কাব্য লিখে কাঁপিয়েছেো ধরা। দারিদ্র্যতা আঁকড়ে ধরে তোমার শিশু
জীবন রক্ষায় পরম বন্ধু নির্মল রাখে.. মন, বাঁচার জন্য আশ্রয় মোদের আজ অরণ্য বন। জাতির স্বার্থে ব্যক্তির স্বার্থে গাছের রোপণ চাই, সুস্থ সুন্দর সমাজ গড়তে বিকল্প যে…… নাই। বৃক্ষ মোদের
কানামাছি প্রিয় খেলা চক্ষু পেঁধে তাড়া! বিকেল হলে ধানের ক্ষেতে লুকোচুরি সারা। ছেলে মেয়ে জড়ো হয়ে দল বেধেছে মাঠে, দুটি দলে ভাগ হয়েছে স্বপ্ন নদীর ঘাটে। বন্ধু মহল মাঠের মাঝে