মাছ ধরবে চাচা বাবা সঙ্গে যাব আমরা, ভরা দুপুর রৌদ্র বেশি পুড়ে যাবে চামড়া! বড় জ্যাঠা নিবে নাকি আমাদেরই সাথে? ছোট চাচ্চুর সঙ্গে রবে ছিপ নিয়েছি হাতে। খুঁজে খুঁজে ধরবো
বিষাদে পুড়ছে এ মন আমার উন্মুক্ত করে দিলাম বক্ষ এক পশলা বৃষ্টি হয়ে এসো প্রিয়, তপ্ত হৃদয় মাঝে শুষ্ক, বুকের বাঁ পাশটা নিবিড় সবুজে হয়ে উঠুক শ্বাশত যৌবনা। প্লাবন হয়ে
ময়না শালিক ময়না শালিক দ্বন্দ্ব তাদের নাই! কিচিরমিচির করে ডাকে বহুরূপী ভাই। ধূসর বরণ, কালো দেহ সুন্দর দুটি পাখি, মিষ্টি সুরে কথা বলে জুড়ায় মনো আঁখি। আষাঢ় মাসে নয়া ঘরে
শীতল বালু ঘুমিয়ে আছে হাঁটতে দারুন লাগে! ধীরে ধীরে সূর্যের তাপে ঘুম থেকে সে জাগে। নিভু চুলায় গুপ্ত শিখা জ্বালায় অন্তর ভেলা, ঘুমন্ত আজ লাভাগিরি জ্বলছে অগ্নি খেলা। উল্কা থেকে
এসো সবাই মাজার গুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেই, এই বঙ্গতে পীর আউলিয়া মাজারের ঠাই নেই। সুন্নত মেনে ফতোয়া দেয় মাজার ভেঙ্গে দাও, মুসলিম হয়ে কুফর শির্ক থেকে বাঁচতে চাও। এমন বাণী
নদীর তীরবর্তী কাশবনের অভয়ারণ্য চারিদিকে শরতের আগমনী গুঞ্জরন, সাদা আকাশ নীলে নীলকন্ঠি কাঠ গোলাপ শিউলি ফুলে সাজানো কাশফুলের আঙিনায় তোমার আলিঙ্গন, তোমার স্পর্শ পাবার আকুলতা তুমি যাবে নাকি আমার সাথে?
পৈশাচিক অন্ধকার নাকি আজাব নির্ঘুম রাত নাকি, অলস মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের বায়বীয় শকুনের উড়াউড়ি—! মুখোশে মুখ বন্ধ ছিলো—! মুখোশের লাগাম খুলে দিলেন আপনারাই। হ্যাঁ শ্বাস নিচ্ছি তবে গ্যাসচেম্বার খালি। ভয়ংকর নিঃশ্বাসের
খোকন বলল, মল্লিকদের বাগান থেকে আঁখ চুরি করতে হবে। মনা বলল, বাগানে মালী থাকে।ষন্ডামার্কা লোকটা নাকি হেসো ছুঁড়ে মারে। সন্তোষ বলল, অত ভয় পেলে চলে? স্বপন বলল, ও সপ্তাহে আমরা
মায়া ঘেরা ছায়া ঘেরা রূপের নেইকো শেষ আমার জন্ম দোহার সেথা কল্পনার রেশ। আজও ভুলি নাই মোর শৈশব পল্লি জননী আমায় এখনো হাতছানি দেয় প্রাণের সজনী। ছলছল কলকল শব্দে বইতো
চাল খাবো ডাল খাবো গরম ভাতে ঘি আস্ত বাজার গিলে খাবো খাবো কতো কি! ঝিঙে খাবো ফিঙে হয়ে উড়বো ডালে ডালে ইষ্টি কুটুম হয়ে ডাকবো ঘরের চালে চালে তেল খাবো