জনস ছিলেন অতি ধনী ব্যবসায়ী মিটিং সেমিনার কোটি কোটি টাকার কোম্পানী অর্থ বিত্ত খ্যাতিতে পরিপূর্ণ একজন মানুষ সময় বের করা তার জন্য ভীষন কষ্টকর ব্যস্ততাই তার জীবন। বন্ধু জোসেফ বলতো
এটা কেমন কথা বললে তুমি ? কি বললাম? এই যে একটু আগে বললে ভালোবাসা কখনোই ভালো হয় না। ঠিকই তো বললাম ভুলতো বলিনি দেখো এই পৃথিবীতে যতো রকমের কান্ড অকান্ড
উড়ছে পাখি আকাশ পথে মাছের বাড়ি জলে, বনে আছে গাছের সারি মানুষ ভব তলে। রীতিনীতি চলবে যথা অস্থির আমরা কেন? আপন আপন চলছে সবে হিংসা ভেলায় যেন! বিষে মোদের স্বস্তির
বিন্দু বিন্দু প্রেম মানে হাজার খানেক উপমাময় ভালোবাসার কবিতা, হৃদয়ে লুকায়িত অনন্ত পিপাসার অনুরাগে প্রেম সলিলে ডুব দেওয়া, বিন্দু থেকে প্রেম সিন্ধু মোহনায় প্রেম অমৃত ভরায় হৃদয় কুটিরে। বিন্দু বিন্দু
কোটা হইলো গোটা জাতির সমস্যার ওই মূল, কোটার জন্য রাজ পথে যে ঝরে তাজা ফুল। বুলেট ছোড়ে মেধাবীদের জীবন নিচ্ছে কেড়ে, নির্বিচারে মানুষ হত্যায় আসছে ওঁরা তেড়ে। রাজ পথেতে দাবি
দাদার বাবা মুক্তিযোদ্ধা আমি তাহার নাতি, আদি পুরুষ পারি দিলো জ্বলবে কোটার পাতি। ভাতা ওরা পাচ্ছে সবাই তামার পয়সা সচল, পড়ালেখা করে এখন শিক্ষিতরাই অচল। অটো পাশের নবাবেরা নেতা হয়ে
তুমি কিছু বলোনি বা বলবার সুযোগ পাওনি, কিন্তু আমি তোমার অব্যক্ত প্রতিটি কথা উপলব্ধি করতে পেরেছি। তোমার প্রতিটি চাহনি,শরীরের এমনকি প্রতিটি পশমও চিৎকার করে বলতে চাইছিলো বিগত পঁয়ত্রিশ দিনের সবকিছু।
তোমায় ছোঁয়ার ইচ্ছে জাগে মনে তবুও ছুতে পারিনা, অস্পর্শীই রয়ে যাও, তুমি বাস করো না ছোঁয়ার দুরত্বে চাইলেও যে আজ ছুঁতে মানা। তোমাকে ছুঁতে পারবনা জেনেও ব্যকুল হয়ে দু’হাত বাড়াই
এই শহর আমি ভুলবো কেমনে, এই শহরে এসে স্বপ্ন দেখেছি! আমার তরতাজা প্রাণ মন যৌবন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। রামপুরা থেকে সদরঘাট প্রতিদিন, মোটর গাড়ি চড়ে যেতাম সবে। জগা বাবুর পাঠশালায়
সত্যি করে বলছি আমি তোমায় ভালোবাসি পতাকাটা বাঁধতে গিয়ে চোখের কোণায় ভাসি। আমার কিছু ভাল্লাগে না রক্ত ঝরে বুকে জয়ী হয়ে ফিরে এসো ঘর বাঁধিবো সুখে। যখন শুনি সেই তুমিটা