আমি আগে কি ছিলাম “”এখন কি হইলাম”” আবার পরে কি হইবো– জানতে চেয়ে তার বিচারে”” পড়তে চাইনা হাতকড়া সে আমায় দিবে শেষে— ইবলিশের আসামী বানাইয়া।। ইচ্ছে মতো বিচার কইরা”” দিবে
শিলার সাথে বৃষ্টির হলো ঝগড়া শিলা বলে একাই দিবো মহড়া, অনেক সুন্দর আমার চেহারা আমি পড়লেই কুড়িয়ে খাই মানুষেরা। হঠাৎ একদিন পড়লো শিলা মানুষ গুলো মনে করলো কেউ মারলো ঢিলা,
জব্বর একখান খবর জানি বাজেট হলো পেশ, বিবাহ করতে লাগবে ভ্যাট যে খবর খানা বেশ। বাজেট জেনে তৃষ্ণা পেলে কোমল পানী খান, বাড়তি করের টাকা নিয়ে রেস্টুরেন্টে যান। অধিক ভোজন
কোরবানি দেয় বড়লোকে কোটি টাকার পশু, গরিব দুঃখী তাকিয়া রয় কাঁদে পথের শিশু। সাত-তারা আর পাঁচ-তারাতে তাদের আনাগোনা, মধ্যবিত্ত বদ্ধ ঘরে খাচ্ছে পুটির পোনা। গরিব দুঃখী বাড়ি বাড়ি হাত বাড়ালে
কোরবানি করি সাত ভাগে মিলেমিশে সবে, আমল নিয়ত ঠিক রেখে সব পশু জবাই হবে। ছেলে বলে লাল গরু চাই মেয়ে বলে সাদা, আম্মা বলে কালো হলে কিনতে নেইকো বাধা। গরিব,
অনেক-তো লেখা হলো, বলা হলো ভালোবাসি, ভালোবাসি, ভালোবাসা-বাসি পথে-মাঠে-ঘাটে, বৃক্ষের ছায়ায়, নদীর ঢেউয়ে অঙ্গসৌষ্ঠবের ভাঁজে ভাঁজে, মনের মণিকোঠায়; কিন্তু কোথাও স্থায়ীত্ব পায়নি চার অক্ষরের শব্দটি অভিধানে এই শব্দটি না থাকলে
এ সময়টায় আর ভালোবাসাবাসি নেই, প্রিয়তমা, তাই ন্যাকা করে ভালোবাসি বোলো না আর। যদি পারো— এইকাল শুধু পাশে থাকার অঙ্গীকার করো, এইকাল সমঝোতা করে জীবনটা পার করার অঙ্গীকার করো। যদিও—
কতো ছলনায় ভালোবাসি বলে করে গেছো হাজারো প্রহসন, সে নাটকের পটভূমিতে ধংস হয়েছে আমার একমাত্র জীবন । প্রয়োজন নেই ভালোবাসার নামে কোন মিথ্যা আয়োজন… দাম্পত্য মুখোশে হারিয়ে গেছে সকল আশা
স্বপ্নের হাতছানি ডাকে আয় নতুন পদ্ময় বলা, রঙিন দেশের অন্য ভুবন শুরু হলো চলা। এন্ট্রি টিকেট পেলাম সবে যুক্ত সাবাই আজি, বাংলাদেশের টিভি প্রান্তর আমরা হলাম মাঝি। দিন বদলের পালা
শহর কিংবা গ্ৰামে আছে দস্যিপনার দল, তাদের হাতে জিম্মি থাকে পাকলে পাকা ফল। আম কাঁঠাল জাম পাকে আরো পাকে লিচু, দস্যিপনার হাত থেকে যে বাদ যায় না কিছু। পরের বাগান