যেভাবেই ডাকি যে নামেই ডাকি, তুমি তো শূন্যতা!
স্মৃতির জোনাকিরা নিভে যেতে না যেতেই মেঘলা হয়ে আসে মনের আকাশ
একলা বারান্দায় আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলা শেষ হতে চায় না যেনো,
অথচ গোধূলির রঙ কখন যে মলিন হয়ে গেছে, টেরই পেলাম না।
কত-শত মিথ্যে প্রতিশ্রুতির সুতোয় বোনা হয়েছিলো এই ভালোবাসার চাদর!
বুঝে উঠতে পারিনি আজও তার কারণ কিংবা স্বার্থের পরিমাপ।
তবু একলা রাতের দীর্ঘশ্বাসের হিসাব মেলাতে ব্যস্ত অবুঝ মন।
স্বপ্ন আঁকা চোখ নির্জনে এখনো ছবির ক্যানভাসে তুলিতে রঙ মাখে
ভাবে, নিরালা দুপুরে কেউ তো এসে জিজ্ঞেস করুক এই আমাকে-
‘কবি, তোমার বুকে কি কোনো ভাঙনের শব্দ শুনতে পাও?’
শুকনো ফুলের গন্ধ বেয়ে, ফিরে আসে বিষাদমাখা সেই চৈত্রদিন
ভাঙা আয়নার কাচে নিজের ছায়া দেখে চমকে ওঠে ঘরের প্রতিটি কোণ।
কোনো এক অলৌকিক সান্ত্বনার হাত বুঝি এসে ছুঁয়েছিলো ভাঙা হৃদয়
তবুও বিরহ বেলার প্রতিটি প্রহর বিষণ্নতায় ডুবে থাকে।
দূর পাহাড়ে মিলিয়ে যাওয়া মেঘের সাথে বাজি ধরে
এই একাকীত্বের দ্বীপে নির্বাসিত থাকবো আর কতো কাল!
স্মৃতিগুলোও ধীরে ধীরে মলিন হয়ে পড়ছে অযত্নে
এখন আর স্বপ্ন নয়, মনে হয় আমি যেনো এভাবেই
নোনাজলের স্রোতে একদিন স্মৃতিহীন নিঃস্ব হয়ে যাবো।