নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাহিত্যাঙ্গনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন, অতিথি নির্বাচন ও সম্মাননা প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন কবি আব্দুল গনি ভূঞা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি সাহিত্যচর্চার নামে কিছু অনুষ্ঠানের বাণিজ্যিকীকরণ এবং অর্থের বিনিময়ে অতিথি ও সম্মাননা নির্ধারণের অভিযোগ তুলেছেন।
নিজের বক্তব্যে আব্দুল গনি ভূঞা উল্লেখ করেন, আগে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে কচিকাঁচার হলরুম ও শিশু কল্যাণ পরিষদের হলরুম ব্যবহারের সুযোগ না পাওয়ায় আয়োজকরা সমস্যায় পড়েছিলেন। পরে তিনি ও কবি নজরুল বাঙ্গালী উদ্যোগ নিয়ে রামপুরায় তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর এনজিও কার্যালয়ের সুসজ্জিত ছাদে অনুষ্ঠানের আয়োজনের ব্যবস্থা করেন। এর মাধ্যমে নির্ধারিত তারিখে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মান রক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
তবে পরবর্তী সময়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি নিজেকে অবমূল্যায়িত মনে করেছেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, যে ব্যক্তির অনুষ্ঠানের আয়োজন সফল করতে তিনি ও কবি নজরুল বাঙ্গালী সহযোগিতা করেছিলেন, সেই অনুষ্ঠানে তাঁদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু সাহিত্যভিত্তিক অনুষ্ঠানে অর্থের বিনিময়ে কবি ও অতিথিদের পদমর্যাদা নির্ধারণ করা হয়। প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, সম্মানিত অতিথি কিংবা প্রধান আলোচকের মতো পদ প্রদানের ক্ষেত্রে অর্থকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সাহিত্যচর্চার জন্য ক্ষতিকর উল্লেখ করে তিনি সাহিত্যাঙ্গনে স্বচ্ছতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও প্রকৃত সাহিত্যিকদের যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শেষাংশে ক্ষোভ ও কষ্টের কথা প্রকাশ করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য সঠিক পথে চলার তৌফিক কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন তিনি।
আব্দুল গনি ভূঞা
বনশ্রী, ঢাকা।